Blog

  • বিপিএলের সংবাদ কাভার করা বেশ কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক খাবার খেয়ে অসুস্থ্য

    বিপিএলের সংবাদ কাভার করা বেশ কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক খাবার খেয়ে অসুস্থ্য

    স্পোর্টসডেক্সঃ
    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দেয়া খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন চলমান বঙ্গবন্ধু বিপিএল কাভার করা বেশ কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক। বিপিএলের শুরু থেকেই খাবার নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল সাংবাদিকদের। শুক্রবার দুপুরের খাবার ও সন্ধ্যার নাস্তা খেয়ে বাসায় ফেরার পর রাতে প্রায় ২০ জনের বমি ও পাতলা পায়খানা হতে থাকে। অসুস্থতার কারণে শনিবার মিরপুরে ম্যাচ কাভার করতে আসতে পারেননি কয়েকজন সাংবাদিক।
    সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, খেলা চলাকালীন প্রেসবক্সে সরবরাহকৃত খাবার খেয়েই তারা শারীরিক এই সমস্যায় পড়েছেন। বিপিএলের প্রথম দুই দিনে দায়িত্ব পালন করা সাংবাদিক এবং ক্যামেরাপার্সনদের অনেকেই পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে পরের ম্যাচগুলোতে মাঠে আসতেই পারেননি।
    প্রেসবক্সসহ চলতি বিপিএলে বিভিন্ন সাব কমিটির জন্য খাবার সরবরাহের দায়িত্বে আছে সেভেন হিলস নামের একটি রেস্টুরেন্ট। প্যাকেটে আসা এই খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একে তো ঠাণ্ডা খাবার। তারওপর অনেক আগে তৈরি করার কারণে প্যাকেটজাত এই খাবারের খাদ্যমান এমনিতেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দুপুরবেলায় নিম্নমানের এই ঠাণ্ডা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে দায়িত্বরত ক্রীড়া সাংবাদিকরা দল বেঁধে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
    তিনি লেখেন, ‘বিপিএলে দুপুরে সাংবাদিকের জন্য যে লাঞ্চ রাখা হয় তা মোটেও স্বাস্থ্যকর না। বেশ আগে রান্না করা ও প্যাকেটে থাকা সে খাবার ঠাণ্ডা। এই খাবার খেয়ে (বৃহস্পতিবার) আমাদের একজন সহকর্মী অসুস্থ বোধ করেন। আমরা আরও অনেকেই এ ক’দিন এই খাবার খেয়ে অস্বস্তি বোধ করেছি। আজ তাই আমরা অনেকেই বাইরে গিয়ে খেয়ে এসেছি। ম্যাচ কাভার করতে এসে বাইরে গিয়ে খাওয়া আমাদের পেশাজনিত কারণে একটা সমস্যা। খেলার অনেক কিছু মিস হয়ে যায়। অনুরোধ থাকবে, বিসিবি খাবার দেন ভালো কিন্তু সে খাবার যেন হয় ফ্রেশ। বেশি কিছু না- ভাত, ডিম ডালই দেন তবে তা যেন হয় ফ্রেশ।’
    এবিষয়ে বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম জানান, তার ডিপার্টমেন্টের (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন) কয়েকজনও সেভেন হিলের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই খাবার বন্ধ করে দেয়া হবে। লজিস্টিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে অন্য কোথাও থেকে খাবার আনা হবে।

    তিনি জানান, ‘বিসিবির কাছে লম্বা সময় ধরে সেভেন হিলস বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাবার সরবরাহ করে আসছে, আগে কখনোই আমরা এমন অভিযোগ পাইনি। আমরা সিরিয়াসভাবে বিষয়টার দিকে নজর দিচ্ছি।’
    সেভেন হিলস রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার শাহাবুদ্দিন আলম উৎপল জানান, ‘বিসিবির কাছ থেকে আমাদের কাছে এই অভিযোগ এসেছে। আমরা আমাদের খাদ্য তৈরির বিভাগের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসবো। কেন এবং কি কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো সেটা জানতে চাইবো।’
    সূত্র-গো নিউজ

  • সরকারি চাকরিদের সাময়িক বরখাস্ত কেন অবৈধ নয় -হাইকোর্ট

    সরকারি চাকরিদের সাময়িক বরখাস্ত কেন অবৈধ নয় -হাইকোর্ট

    • কোর্ট রিপোর্টঃ

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিভাগীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর (শোকজ) সুযোগ না দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করার বিধানকে কেন সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। সরকারি চাকরি আইনের ৩৯(১) ধারা বাতিল চেয়ে করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। আইন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, এনবিআর সদস্য (প্রশাসন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ), রংপুর কর অঞ্চলের কমিশনার ও একই জোনের সহকারী কমিশনারকে (প্রশাসন) চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন খুরশীদ আলম খান ও রাজু মিয়া।

    রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। পঞ্চগড়ে থাকার সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উচ্চমান সহকারী (কুড়িগ্রাম সার্কেল) মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় বিভাগীয় তদন্তের স্বার্থে গত ১৫ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
    ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৩৯(১) ধারা মোতাবেক দেওয়া সাময়িক বরখাস্তের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে তিনি রিট আবেদনটি করেন।
    সূত্র-অনলাইন

  • বিজয়ের মাসে সাভারে বায়োস্কোপ থিয়েটারের মুক্তিযুদ্ধু ভিত্তিক নাটক উদ্বোধনী হবে ‘এবারের সংগ্রাম’

    বিজয়ের মাসে সাভারে বায়োস্কোপ থিয়েটারের মুক্তিযুদ্ধু ভিত্তিক নাটক উদ্বোধনী হবে ‘এবারের সংগ্রাম’

    • শেখ এ কে আজাদঃ

    বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে বায়োস্কোপ থিয়েটার মঞ্চে নিয়ে আসছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক ‘এবারের সংগ্রাম’। নাটকটি বায়োস্কোপ থিয়েটারের চর্তুথ প্রযোজনা হবে। এর আগে এবছর ফেব্রয়ারীতে বায়োস্কোপ থিয়েটার মঞ্চায়ন করেছে শেত রাক্ষস নাটকটি।

    সাভার উপজেলা মিলনায়তনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজতি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাটকটির উদ্ভোধনী প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। এছাড়াও বিজয়ের মাস উপলক্ষে আগামী ১৭ এবং ২৭ ডিসেম্বর বায়োস্কোপ থিয়েটার এই নাটকটির আরও দুটি প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে। অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদের রচনায়  নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন রফিকুল ইসলাম রফিক ।

    এবারের সংগ্রাম নাটকটি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার, নিপীড়ন ও ষড়যন্ত্রের খন্ডচিত্র। পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক জান্তারা ষড়যন্ত্রের জাল বুনে নিরীহ বাঙালির উপর যেসব সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলো, সেসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরবর্তীকালে বাঙালিদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের বহিঃপ্রকাশ নাটক- এবারের সংগ্রাম।

    নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- মোঃ তোফাজ্জল হাসেন মায়া, সোহানুর রহমান সৈকত, জায়েদুল তামিম, ইসরাত জাহান মুনমুন, মোঃ সুজন ইসলাম, সুমাইয়া আক্তার সারা, মোঃ রাসেল, জান্নাতুল ফেরদৌস, কাজী আজমেরি হক জয়া, আদনান শাহ্রিয়ার আদিত্য, আদিব শাহ্রিয়ার, এম এম সাখাওয়াত হোসেন নয়ন ,আইরিন সুলতানা ও রাকিবুল ইসলাম রাব্বি।

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পারভীন ইসলাম জানান এ নাটকগুলো দেখার জন্য সকলকে আমন্ত্রন রইলো। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটকগুলো দেখলে সকলের স্বাধীনতা সম্পর্কে জ্ঞান বাড়বে।

  • সূর্যদয়ের সাথে সাথে স্মৃতিসৌধে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধা দিয়ে ভরে উঠবে শহীদ বেদী

    সূর্যদয়ের সাথে সাথে স্মৃতিসৌধে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধা দিয়ে ভরে উঠবে শহীদ বেদী

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    • মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সূর্যদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি প্রদানমন্ত্রী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। তারপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,বিশিষ্টজন,এনজিও,মুক্তিযোদ্ধা,সাংবাদিক সংগঠনসহ সমাজের ছোট বড় সকল মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।
      শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ফুলে ফুলে ভরে উঠবে শহীদ বেদী।

    দিবসটি উপলক্ষে গণপূর্ত বিভাগের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এক নতুন রুপ ধারন করেছে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। নানা রঙ্গের বাহারী ফুলের চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে স্মৃতিসৌধের সবুজ চত্বর। চত্বরের সিড়ি ও নানা স্থাপনায় পড়েছে রং-তুলির আঁচড়।

    দিবসটির প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ বিশিষ্ট জনেরা। এরপরই জাতির গৌরব আর অহংকারের এ-দিনটিতে সৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে উঠবে শহীদ বেদী। সেই বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষায় গোটা জাতি। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য এরই মধ্যে শেষ করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের সৌন্দর্যবর্ধনের সকল কাজ।

    এদিকে দিবসটি উপলক্ষে নবম পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাহিনীটি।
    প্রতিবারের মত এবারও বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়াও মহান বিজয় দিবসকে ঘিরে সৌধ এলাকার পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কেও শেষ করা হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভা বর্ধনের কাজ। সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় গুলো কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে সড়কের মাঝখানের আইল্যান্ড দৃষ্টিনন্দন করতে দেওয়া হয়েছে লাল ও সাদা রং।

    এছাড়াও স্মৃতিসৌধ এলাকার সামনে সড়কে লাগানো হয়েছে আলোকবাতি।
    জাতীয় স্মৃতি সৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, দিনটিকে সামনে রেখে প্রায় শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গত এক মাস যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। সৌধ এলাকার পরিচ্ছন্নতা কাজে যাতে বিঘ্ন না হয় সেজন্য সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো। ১৬ ডিসেম্বর প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই সর্বসাধারনের জন্যে স্মৃতিসৌধের প্রদান ফটক উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারী বাড়নোসহ নিরাপত্তার স্বার্থে সৌধ প্রাঙ্গনের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। প্রতিবারের মত এবারও নির্বিঘ্নে বাঙ্গালি জাতি এই অহংকারের দিনটি উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান পুলিশ সুপার।

    সম্পাদনায়-সত্যের সংবাদ

     

  • স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের তালিকা প্রকাশ ও আগামী ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে মন্ত্রানালয়ঃ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

    স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের তালিকা প্রকাশ ও আগামী ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে মন্ত্রানালয়ঃ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

    • নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা ঘোষণা করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এই তালিকা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকাও প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ১০-১২ হাজারের বেশি হবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    আগামী ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী রাজাকারদের নাম, পরিচয় ও ভূমিকা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্যই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশ করা হবে।তিনি আরো বলেন, ‘যারা ৭১ সালে রাজাকার, আলবদর, আল শামস বা স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং যেসব পুরোনো নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত ছিল, সেটুকু প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যাবে, শুধু সেটুকু প্রকাশ করা হবে। কোনো তালিকা শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে প্রকাশ করা হবে না। অন্যায়ভাবে কেউ তালিকাভুক্ত হবে না।’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির তথ্যানুযায়ী, একাত্তরের মে মাসে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি নিধনে পাকিস্তানি সেনাদের সহায়তা দিতে গঠিত হয় রাজাকার বাহিনী। খুলনায় খান জাহান আলী রোডের একটি আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন পাকিস্তানপন্থি কর্মী নিয়ে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়। পরে দেশের অন্যান্য অংশেও গড়ে তোলা হয় এই বাহিনী। প্রথম পর্যায়ে রাজাকার বাহিনী ছিল এলাকার শান্তি কমিটির নেতৃত্বাধীন। একাত্তরের ১ জুন পাকিস্তানের জেনারেল টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারি করে আনসার বাহিনীকে রাজাকার বাহিনীতে রূপান্তরিত করেন। তবে এর নেতৃত্ব ছিল পাকিস্থানপন্থি স্থানীয় নেতাদের হাতে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অধ্যাদেশবলে রাজাকার বাহিনীর সদস্যদের সেনাবাহিনীর সদস্যরূপে স্বীকৃতি দেয়। এর সংখ্যা ছিল অন্তত ৫০ হাজার।
    এ ছাড়াও পাকিস্তান সরকার বাঙালি নিধনে একইভাবে আলবদর ও আলশামস বাহিনীও গঠন করে। তখন গ্রামগঞ্জে মেম্বারদের রাজাকার বাহিনীতে লোক সংগ্রহ করতে বলা হয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ওলামাসহ পাকিস্তানের সমর্থক অনেক দলের নেতাকর্মীরা রাজাকারসহ অন্যান্য বাহিনীতে যোগ দেয়। তবে স্বাধীনতাবিরোধী এই বাহিনীগুলো সাধারণ অর্থে রাজাকার হিসেবেই পরিচিতি পায়। স্বাধীনতার পর থেকেই এসব বাহিনীর তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশের দাবি ওঠে দেশের মানুষের।

  • মহান বিজয় দিবসের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সালাম-হাজী মোবারক হোসেন খোকন

    মহান বিজয় দিবসের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সালাম-হাজী মোবারক হোসেন খোকন

    শেখ এ কে আজাদঃ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে এ দেশের ৭ কোটি মানুষ যুদ্ধু করে ৩ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়সহ ৩০ লক্ষ তাজা প্রানের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পালন করে থাকি আমরা। সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বাধীনতার ডাকে বাঙ্গালীরা সকলে ঝাপিয়ে পরেছিলো তার জন্য এ বিজয় দিবস পেয়েছি। যার জন্য আমরা বাংলাদেশ নামক একটি দেশের সার্বোভৌম মানচিত্রে রাষ্ট্রের স্থান পেয়েছে বিশ্বের নিকট। বাংলাদের রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি যারা এই রক্তের বিনিময়ে আমাদের দিয়েছে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে তাদের প্রতি রইলো ঢাকা জেলা উত্তর তাঁতী লীগ’র পক্ষে হাজারো সালাম আর যারা দেশ স্বাধীনতার পর বেঁচে আছে সে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সালাম।

    হাজী মোবারক হোসেন খোকন
    সভাপতি
    ঢাকা জেলা উত্তর তাঁতী লীগ ও কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য।

  • ফেসবুকের তথ্য চুরি?

    ফেসবুকের তথ্য চুরি?

    তথ্যপ্রযুক্তিডেক্সঃফেসবুক কর্মীদের তথ্য চুরি হয়েছে! বিশ্বাস না হলেও এটাই ঘটনা। এনক্রিপ্ট না করা কয়েকটা হার্ডড্রাইভ চুরি হয়েছে। হার্ডড্রাইভগুলোতে ২৯,০০০ ফেসবুক কর্মচারীর তথ্য সংরক্ষণ করা ছিল। ফেসবুকের এক কর্মীর গাড়ি থেকে ওই হার্ডড্রাইভগুলো চুরি হয়েছে।

    হার্ডড্রাইভে হাজার হাজার কর্মী সম্পর্কিত তথ্য রয়েছে, যাদের ২০১৮ সালে নিয়োগ করা হয়েছিল। ওই হার্ডড্রাইভে রয়েছে কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, কর্মীর নাম, তাদের সামাজিক সুরক্ষা নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা, তাদের বেতন, বোনাস এবং ইক্যুইটি সম্পর্কিত বিশদ তথ্য। ফেসবুক শুক্রবার সকালে ই-মেইলের মাধ্যমে চুরির বিষয়টি তার কর্মীদের জানিয়েছে।
    জানা গেছে, চুরি হওয়া হার্ডড্রাইভগুলোতে কোনও ফেসবুক ব্যবহারকারীর ডেটা থাকে না। তবুও এই ঘটনা ব্যক্তিগত ডেটার বিষয়ে ফেসবুকের সতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। কারণ ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস নিয়ে আগেও ফেসবুকের দিকে অভিযোগে আঙুল উঠেছে।
    গত ১৭ নভেম্বর ওই চুরি হয়েছে। এর প্রায় একমাস পর কর্মচারীদের এবিষয়ে জানাল ফেসবুক।

    একটি অভ্যন্তরীণ ই-মেইল থেকে জানা গেছে, ২০ নভেম্বর হার্ডড্রাইভ চুরির ব্যাপারে জানতে পারে ফেসবুক। আর ২৯ নভেম্বর জানতে পারে যে ওই ড্রাইভগুলোতে কর্মীদের তথ্য রয়েছে। এখন চুরি হওয়া হার্ড ড্রাইভগুলো পুনরুদ্ধার করতে পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে।
    ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি যে এটি সাধারণ চুরির ঘটনা। কর্মীদের তথ্য পাওয়ার চেষ্টার জন্য চুরি নয়।
    হার্ডড্রাইভগুলো কেন প্রথমেই অফিসে রাখা হয়নি? সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়া একজন কর্মীর পক্ষে অফিসের সম্পত্তি বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা নয়। এটি অত্যন্ত ভয়াবহ বিষয় যে ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ রয়েছে এমন হার্ডড্রাইভগুলো এনক্রিপ্ট করা হয়নি।
    সূত্র-অনলাইন

  • সাভারের আশুলিয়ায় একটি নিটিং কারখানায় আগুন ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি, আগুন নিয়ন্ত্রনে ফায়ার সার্ভিস

    সাভারের আশুলিয়ায় একটি নিটিং কারখানায় আগুন ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি, আগুন নিয়ন্ত্রনে ফায়ার সার্ভিস

    শেখ এ কে আজাদ নিজেস্ব প্রতিবেদক : সাভারের আশুলিয়ার জিরাবো বাগানবাড়ি এলাকার একটি নিটিং ফ্যাক্টরিতে রবিবার ভোর রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৭ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে নিটং ফ্যাক্টরি মালিকপক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।এক্স এস ফাস্ট নিটিং নামের ওই ফ্যাক্টরিতে ভোর পৌনে পাঁচটার ৫ টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিস। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২ ঘণ্টা পর অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসলেও ততক্ষণে নিটিং ফ্যাক্টরির যন্ত্রপাতি ও প্রস্তুত করা ফেব্রিক ভষ্মিভূত হয়।

    এতে করে প্রায় ৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে হয়েছ বলে জানান ফ্যাক্টরির কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম।
    ঐ নিটিং ফ্যাক্টরির শ্রমিক মকবুল সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফ্যাক্টরির পূর্বদিক থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয় পরে আস্তে আস্তে সকল জায়গায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন সম্পূর্ণ ফ্যাক্টরিতে ধরে যায় এবং দীর্ঘ দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান,ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আমরা ঘটনাস্থলে আসি ঘটনাস্থলে আসার পরে আমাদের ডি ই পি জেড ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ও সাভার থেকে ২ টি ইউনিট দেড় ঘন্টা কাজ করার পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষে কিভাবে আগুন লেগেছে ও তার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো যাবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

  • কবিতা, বিস্মিত স্মৃতি…

    কবিতা, বিস্মিত স্মৃতি…

    বিস্মিত স্মৃতি…
    ডাঃ আমজাদুল হক

    মানুষ এক বিস্ময়
    বিস্মিত স্মৃতি…
    কিভাবে লিখো
    মনভোলানো গীতি
    নিরবে থেকো
    নিঃশব্দে কবি…
    মানুষ এক মনভোলানো স্মৃতি

    নদীর পাড়ে
    একখন্ড জমি
    সবুজের মায়ায়
    আবাদি জমি…
    মানুষ এক বিস্ময়
    বিস্মিত স্মৃতি…

    # কবিতাঘর

  • মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া ‘শহীদ’ লেখায় সংগ্রাম পত্রিকা সম্পাদকের ক্ষমা প্রার্থনা

    মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া ‘শহীদ’ লেখায় সংগ্রাম পত্রিকা সম্পাদকের ক্ষমা প্রার্থনা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    মানবতাবিরোধী অপরাধে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বরে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া কাদের মোল্লাকে ‘শহিদ’ লেখা প্রকাশ করার প্রতিবাদে জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে এই ভাঙচুর চালানো হয় বলে খবর । এরপর পত্রিকা অফিসের গেটে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন তারা। পত্রিকা অফিসের কম্পিউটার, দরজা, জানালা, চেয়ার, টেবিল ও পত্রিকাটির সম্পাদক আবুল আসাদের কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এসময় গেটের বাইরে সংগ্রাম পত্রিকায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন প্রতিবাদকারীরা।
    অফিসে ভাঙচুরের সময় সম্পাদক আবুল আসাদকে হাতিরঝিল থানা পুলিশের হেফাজতে নিয়েছেন। সেইসময় কর্মরত সাংবাদিকরা জানান, বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে-দেখাতেই বিক্ষোভকারীরা জোর করে অফিসের ভেতরে ঢুকে পড়েন। ঘরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এরপর সম্পাদককে তার রুমের বাইরে এনে টিভি সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। তখন তিনি শহিদ শব্দটি ব্যবহারের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাহমুদ বলেন, ‘আমরা অফিসের ভেতরে জামায়াত ও শিবির পরিচালনার নানা কাগজ পেয় পত্রিকার সম্পাদককে পুলিশে দিয়েছি।