Blog

  • বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজনকে সম্মাননা তুলে দিলেন বিচারপতি

    বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজনকে সম্মাননা তুলে দিলেন বিচারপতি

    বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি  শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন। তিনি শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০১৯ বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে

    হিউম্যান রাইটস পিস অ্যাওয়ার্ড গুণীজন সম্মাননা দেওয়ায় এশিয়া হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় শেরে বাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ সম্মাননা তুলে দিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি মীর হাসমত আলী।

    সম্মাননা পেয়ে সকলের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছেন শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সূজন।
    – প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

  • কবিতা

    কবিতা

    একদিন দেখা হবে নিশ্চই

    ডাঃ আমজাদুল হক

    একদিন দেখা হবে নিশ্চই
    হতেপারে নিছক দেখা
    হতেপারে বারংবার
    প্রতিধ্বনি…
    যীশুর পুনরুত্থান এর মতো
    একদিন দেখা হয়ে যেতে পারে
    প্রস্তুত অথবা অপ্রস্তুত,

    অপ্রসারিত বাক্যের মত
    একদিন,
    সব বেহিসাবি হিসাব
    মুখোমুখি হবে…
    একদিন দেখা হয়ে যাবে নিশ্চই।

  • কবিতা

    কবিতা

    ন্যায়-অন্যায়

    ডাঃআমজাদুল হক

    কিছু হয়ে যাক
    হয়ে যাক ন্যায়
    কিছু অন্যায় হয়ে যাক
    নাকি কিছু হয়ে,গেছে….
    এভাবে মেনে নেয়াও
    কিছুটাতো…অন্যায়
    আসলে আজ আর নেই
    বিভেদ, অভেদ এর কোন
    ভেদাভেদ
    শুধু শুধু বিরুদ্ধবাদ…
    তবুও কিছু হয়ে যাক…

    #কবিতাঘর

  • মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর এলাকার যুদ্ধাআহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তান প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে দৃষ্টি আকর্ষন

    মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর এলাকার যুদ্ধাআহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তান প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে দৃষ্টি আকর্ষন

     

     

     

    শেখ এ কে আজাদঃ মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর থানার গোলড়া গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ দুলাল খান সে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার সাথে দেখা করতে চায় বলে জানান তিনি। শৈশবকালে তিনি এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অঙ্গ বিকলাঙ্গ হয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে পরেন। অঙ্গ বিকলাঙ্গ হয়ে যাওয়ার কারনে সে সমাজের সুস্থ্য মানুষের মত আর চলাফেরা করতে পারেন না তিনি। অক্ষম যাওয়ার ফলে সে হাতের মধ্যে লাঠি নিয়ে ভর করে চলাফেরা করতে হয় তার। তিনি জীবন যুদ্ধু করে ধমে রাখতে চাননি শিক্ষাজীবন। সে এসএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করে স্কুল জীবন পার করতে সক্ষম হোন। এর পর জীবন যুদ্ধে সে আর স্কুল জীবন ডেঙ্গিয়ে লিখাপড়া করতে পারেনি, থেমে যায় এসএসসি পর্যন্ত লিখাপড়া করে। আর্থিক অসচ্ছল হওয়ায়

    সংসারের হাল ধরতে তিনি জীবন সংগ্রামে গাজীপুর জেলার টংঙ্গি থানা এলাকায় বাংলাদেশ সরকারের শারীরিক প্রতিবন্ধী সেন্টারে ভর্তি হয়ে দর্জি বিজ্ঞান শাখায় ১ বছর কম্পিউটার প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও মোঃ দুলাল জীবন সংগ্রামে জীবনকে বাঁচাতে চাকরির জন্যে দৌড়ঝাপ করে বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সরকারী দপ্তরে কিন্তু কোথাও কোন চাকুরি না মিললে তিনি অন্ধকার দেখেন জীবন যুদ্ধে ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নিয়ে (ভিক্ষাবৃত্তি পেশাও তার নিকট মূল্যহীন) । পরে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে সাভারে অবস্থিত মাশরুম উন্নয়ন প্রকল্পে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে মাস্টাররোলে ৬ মাস চাকুরি করেন, সাভার ভূমি অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে মাস্টাররোলে ৩ মাস চাকুরি করেন শুধু শাররীক প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় কম্পিউটার হিসেবে চাকুরি হলেও কোথাও স্থায়ী হয়নি বেশী দিন।এক স্কুল কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি হলে বর্তমানে সে সাভার পৌর ব্যাংককলোনি অভিজাত এলাকার অ্যাসেড স্কুল নামে প্রাইভেট স্কুলে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরি করে চলছেন। তার সংসার জীবনে রয়েছে এক স্ত্রী ও পূত্র সন্তান,তিনি চাকরী করে যে টাকা বেতন পান তা দিয়ে সংসার চালানো কস্ট হচ্ছে। তার স্ত্রী গৃহীনি ও পূত্র সন্তান মোঃআজমির খান অ্যাসেড স্কুল থেকে ২০১৯ সনের এসএসসি কমার্স বিভাগ থেকে সাফল্যর সহিত ৪.৫০ জিপিএ পেয়ে বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর কলেজে কমার্স বিভাগে ১ ম বর্ষে অধ্যায়ন করছে।
    শারীরিক প্রতিবন্ধী মো: দুলালখান জানান তার বাবা মোঃ দেলোয়ারখান (ধলা) যুদ্ধাআহত মুক্তিযোদ্ধা ও রাষ্ট্রীয় সম্মানীভাতাপ্রাপ্ত। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণট্রাস্টের বই নম্বর-৮, পাতা নং- ১৯৭, ক্রমিক নং- ১৪৭৮২, মুক্তিবার্তা বই নং- ০১০৭০৩০২২, ই.পি.আর নং- ১৬০৪৯ তার বাড়ী গ্রাম-গোলড়া, থানা + পোষ্ট – সিংগার, জেলা-মানিকগঞ্জ। মোঃ দুলাল খান এর মোবাইল নং- ০১৭২৯৮৫৭৮৪২।

  • কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে আরো একজনের মৃত্যু,মৃত্যুর সংখ্যা ১৪

    কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে আরো একজনের মৃত্যু,মৃত্যুর সংখ্যা ১৪

    কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানায় আগুনে দগ্ধ আরও এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আসাদ নামের ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরের মৃত্যু হয়।

    আসাদের শরীরের ৫০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর বিকালে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ নিয়ে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেদিনই কারখানার ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করেন। বাকিরা পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    সামন্ত লাল জানান, কেরানীগঞ্জে দগ্ধ আরও ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে নয়জনকে রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্টে। ১৭ জনের কেউ শঙ্কামুক্ত নন।নিহত ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃতদেহ শুক্রবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসক।অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারখানা মালিক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত একজনের ভাই।

    কলকারখানা প্রতিষ্ঠান ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক (ঢাকা) আহমেদ বেলাল জানিয়েছেন, প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ওই কারখানাটি ছিল অবৈধ।

    “নব্বই দিনের মধ্যে কারখানার প্রবেশপথের সংখ্যা বাড়ানোর শর্তে তারা ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নিয়েছিল, কিন্তু মালিকপক্ষ তা করেনি। ওই কারখানায় একটি মাত্র প্রবেশ পথ এবং বের হওয়ার পথ একটি।”

    এ বছর কারখানাটি পরিদর্শনের পর গত ৫ নবেম্বর মালিকের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করে মামলাও হয়েছিল বলে জানান তিনি।

  • বোরহানউদ্দিনে গলা কাটা লাশ উদ্ধার

    বোরহানউদ্দিনে গলা কাটা লাশ উদ্ধার

    সত্যেরসংবাদডেক্সঃ বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের দেউলা শিবপুর ইউনিয়নে নশু মিয়া (৫২) নামে এক ব্যক্তির গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ ৷

    শনিবার সকালে স্থানীয়রা নিহত নশু মিয়াকে রাস্তার উপর গলাকাটা অবস্থায় তাকে পরে থাকতে দেখে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশকে খবর দেয় ৷ পরে ওসি মোঃ এনামুল হকসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে যান এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ নিয়ে আসেন ৷
    এসময় বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মোঃ-এনামুল হক জানান, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয় ৷ তবে পরিবারের অভিযোগে সন্দেহভাজন একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বোরহানউদ্দিন থানা নিয়ে আসা হয় ৷ সে এখন থানা হেফাজতে রয়েছে ৷ পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে ৷

  • সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের একজন সেবক হতে চান- মাসুদ রানা তালুকদার

    সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের একজন সেবক হতে চান- মাসুদ রানা তালুকদার

    সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের একজন সেবক হতে চান- মাসুদ রানা তালুকদার

     

    সত্যেরসংবাদঃ সাভার-আশুলিয়ার জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ব্রত নিয়ে আমৃত্যু কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য মাসুদ রানা তালুকদার।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাভার ও আশুলিয়ার রাজপথ ও বিভিন্ন সড়কে শোভা পাচ্ছে তার ব্যানার ও ফেষ্টুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সরব রয়েছেন তিনি। বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা পোষ্টারও ফেসবুকে বিভিন্নজন শেয়ার করছেন। সাভারে সম্প্রতি এখন আলোচনায় মাসুদ রানা তালুকদার।

    জানাগেছে, সাভার পৌর এলাকা রাজাশন মহল্লার ছেলে সাবেক ছাত্র নেতা মাসুদ রানা তালুকদার বর্তমানে একজন কোরিয়া প্রবাসী। তিনি ইন্টারনেশনাল লেবার ল অর্গানাইজেশনের (আইএলও) এক্সিকিউটিভ ডিরেকটর পদে কাজ করছেন।

    ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ অবধি মাসুদ রানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধরে পথ চলছেন। বিদেশের মাটিতেও তিনি আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করে চলেছেন।

    তিনি দেশ ও জনগণের পাশে থেকে আগামী দিনে সাভার ও আশুলিয়াবাসীর সেবা করার আশা ব্যক্ত করেন।

    মাসুদ রানা তালুকদার জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার আদর্শ। বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার জয় জয়কার আজ সারা বিশ্বে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কোন বিকল্প নেই। তিনি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি এই উন্নয়নের সাগরে একফোঁটা জল হতে চাই। তবেই আমার জীবন স্বার্থক হবে। আমি সাভার ও আশুলিয়ার মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবক হিসেবে তিনি সেবা করতে চান।

    তিনি সাভার ও আশুলিয়ার সর্বস্তরের জনগনের সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।