Blog

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে সম্পাদককে তিন দিন আটকিয়ে রেখে নির্যাতনের পর মাদক মামলায় ফাঁসালো

    সংবাদ প্রকাশের জেরে সম্পাদককে তিন দিন আটকিয়ে রেখে নির্যাতনের পর মাদক মামলায় ফাঁসালো

    • সত্যেরসংবাদডেস্ক :

    পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে কক্সবাজার বানী পত্রিকার সম্পাদককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু মামলা দিয়েই নয় তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদিপ কুমার দাস ও সাবেক ওসি ফারিদ উদ্দিন খন্দকার। বিনা ওয়ারেন্টে ঢাকা থেকে ধরে নিয়ে টেকনাফ থানায় ৩ দিন আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতনের পর মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজি সংবাদ সম্মেলনে ফরিদুল মোস্তফার স্ত্রী হাসিনা আক্তার জানান, তার স্বামী একজন নির্ভিক সাংবাদিক। বিভিন্ন সময় টেকনাফ থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এ কারণে তাকে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি ফরিদুল কারাগারে মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। তার চোখে মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন করায় বর্তমানে দুটি চোখই নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া তার হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে পুলিশ। চিকিৎসক জানিয়েছেন তার একচোখ একেবারে অকেজো হয়ে যেতে পারে।

    হাসিনা আক্তার আরো বলেন, কক্সবাজার থাকা অবস্থায় পুলিশের নানান হয়রানির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশী হয়রানি থেকে রেহাই পেতে কক্সবাজার ছেড়ে ঢাকায় এসে থাকতেন ফরিদুল। আর এ সুযোগে টেকনাফ থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে মোস্তফার আত্মীয় স্বজনদের হয়রানি করে। বর্তমানেও এ হয়রানি অব্যাহত রয়েছে।

    ফরিদুল মোস্তফার মেয়ে সুমাইয়া মোস্তফা খান কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, তার বাবা আলোকিত সমাজ গঠনের বিভিন্ন সময় অনিয়ম দুর্নীতির খবর প্রকাশ করে আসছেন। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা হচ্ছে। তার বাবা দোষী হলে তাকেও বিচারেরর আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সুমাইয়া বলেন, তাদের পরিবারের কেউ কোনো মামলার আসামী নয়। কখনো তারা কোনো অনিয়মে জড়াননি। এরপরও পুলিশ ঠান্ডা মাথায় তারা বাবাকে মামলা দিয়ে সমাজে তাদের পরিবারটিকে হেয় করেছে। বর্তমানে তারা পুলিশের ভয়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় থাকছেন। তারা বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহর করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের নির্যাতনের বিষয় সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের কাছে দাবি জানান সুমাইয়া।

  • জামালপুরে সাংবাদিকের পা ভেঙে দেয়া ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    জামালপুরে সাংবাদিকের পা ভেঙে দেয়া ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    • সত্যেরসংবাদডেক্সঃ

     

    জামালপুরে সাংবাদিক শেলু আকন্দর পা ভেঙে দেয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    বুধবার ১৮ ডিসেম্বর রাতে শহরের মুকন্দবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    এদিকে বৃহস্পতিবার ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে শেলু আকন্দকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ উঠেছে, বুধবার ১৮ ডিসেম্বর শহরের দেওয়ানপাড়ায় পৌর ভূমি অফিসের পিছনে শহর বাইপাস রোডে জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ওই সাংবাদিকের দু’পা ভেঙে দেয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় সাংবাদিক শেলু আকন্দের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন আকন্দ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামলায় পৌর কাউন্সিলর হাসানুজ্জামান খান রুনু, তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান খান, ভাতিজা তুষার খান, স্বজন খান ও তুহিন খানসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, বুধবার রাতেই শহরের মুকন্দ বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আসামি রাকিব হাসান খানকে। সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৮ মে ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান খানের বাবা পৌর কাউন্সিলর হাসানুজ্জামান খান রুনুর নেতৃত্বে মোস্তফা মনজুর নামক এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায়ও রাকিব খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলায় অংশ নিয়েছিল।

    ঘটনার পরদিন (২৯ মে) জামালপুর সদর থানায় পৌর কাউন্সিলর হাসানুজ্জামান খান রুনু, তার ছেলে জেলা ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান খানসহ ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলাটিতে ১ নাম্বার সাক্ষী হয়েছিলেন সাংবাদিক শেলু আকন্দ। সে সময় থেকেই আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক শেলু আকন্দ সদর থানায় জিডিও করেছিলেন আগেই।

  • আইপিএলের ১৩ তম আসরে মুশফিক নিলামে বিক্রি হয়নি

    আইপিএলের ১৩ তম আসরে মুশফিক নিলামে বিক্রি হয়নি

    স্পোর্টসডেক্সঃ
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) ১৩তম আসরের নিলাম বসেছে আজ বৃহস্পতিবার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলীর শহরে বসেছে এ নিলাম। কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নিজেদের পছন্দের খেলোয়াড় কেনার জন্য লড়াই শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে।বিশ্বের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় এ ক্রিকেট আসরের ১৩ বারই নিলামের জন্য নিজের নাম নিবন্ধন করেছেন বাংলাদেশ দলের অন্যতম সদস্য উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। তবে আইপিএলে খেলতে আগ্রহ থাকা মুশফিককে বরাবরের মতোই এবারও কোনো দলই কেনেনি। মুশফিকের প্রতি কোনো দল আগ্রহ না দেখানোয় তাকে কটাক্ষ করেছে ভারতের ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।ক্রিকবাজ তাদের ওয়েবসাইটে মুশফিকের বিষয়ে লিখেছে, ‘১৩ মৌসুমেই নিবন্ধনকারী মুশফিক অবিক্রীত থেকে গেছেন। ১৩ মৌসুমেই অনাগ্রহের শিকার। এখন সে নাগিন ডান্স দিতে পারে।’

    মুশফিকের মতো এবারের নিলামে অবিক্রিত যারা : নিলামে কেউ আগ্রহ দেখায়নি ইউসুফ পাঠান ও স্টেইনের মতো তারকা ক্রিকেটারের প্রতি। এই নিলামে দল পাননি পূজারা, স্টুয়ার্ট বিনি, টিম সাউদি, আন্ডু টাই, ডেল স্টেইন, মোহিত শর্মা, শাই হোপ, কুশল পেরেরা, নামান ওঝা, হেনরি ক্লাসেন, কলিন ডি গ্রান্ডহোম।
    সূত্রঃ অনলাইন

  • সাভারের আশুলিয়ায় জিয়া ড্রাগ ফার্মেসীকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১০ লক্ষ টাকার পন্য জব্দ করেছে র‍্যাব-৪

    সাভারের আশুলিয়ায় জিয়া ড্রাগ ফার্মেসীকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১০ লক্ষ টাকার পন্য জব্দ করেছে র‍্যাব-৪

    • শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    সাভারের আশুলিয়া গণকবাড়ী ইপিজেড এলাকায় ঔষধ প্রশাসনের এর অনুমোদনহীন অবৈধভাবে গড়ে উঠা বিভিন্ন নকল পণ্য তৈরীর অপরাধে র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর এর সিপিসি-২ ও র‌্যাব-৪, নবীনগর ক্যাম্পের একটি আভিযানে মেজর শিবলী মোস্তফা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান নেতৃত্বে অভিযান করা হয়েছে।


    ১৯ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত র‍্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান করে জিয়া ড্রাগ হাউস-২ কোম্পানীর মালিক মোঃ ইমদাদুল হোসেন পলাশ (৩৮), পিতা- মোঃ কাউছার শেখ, সাং- বাদাউল উত্তর পাড়া, থানা- আশুলিয়া, জেলা- ঢাকা, এ/পি- জিয়া ড্রাগ হাউস-২, সাং- দেওগাঁও, থানা- আশুলিয়া, জেলা- ঢাকা। দীর্ঘদিন যাবৎ নকল পন্য তৈরি করার অপরাধে ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড আদায় করেছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।
    র‍্যাব ৪ জানায়, জিয়া ড্রাগ হাউস কোম্পানী হতে ১) কে ওয়াই জেলি ৯০ পিস, ২) মুভ স্প্রে ৫০ পিস, ৩) মুভ ক্রীম ১৫ গ্রাম ওজনের ৪০ পিস, ৪) স্কীন সাইন ১৫ গ্রাম ওজনের ১০০ পিস, ৫) বেটনোভেট সি ৫০ গ্রাম ওজনের ১৮০ পিস, ৬) বেটনোভেট এন ২০ গ্রাম ওজনের ২০০ পিস, ৭) বেটনোভেট সি (স্কীন ক্রীম) ৩০ গ্রাম ওজনের ৩০০ পিস, ৮) ডিকলো (এম) ৪৫০০ পিস, ৯) আই পিল ৯৮ প্যাকেট, ১০) মুনটস ৮০০ পিস, ১১) নেহা (লাল) ১০০ মিঃ লিঃ ২১৬ বোতল, ১২) নেহা (নিল) ৭২ বোতল, ১৩) ইনজয় সিরাপ ৫০ মিঃ লিঃ ১৪৫ বোতল, ১৪) ওরাভিট (সি) ২৮০০ ট্যাবলেট, ১৫) জানডু (বিএএলএম) ৮ মিঃ লিঃ ১০ পিস, ১৬) পাওয়ার প্লাস ক্যাপসুল ১৫ টি, ১৭)ইটচ গার্ড ক্রীম ৬ পিস, ১৮) লাপেন্টা (৫০) ১০০ পিস, ১৯) ইনজয় পাওয়ার ওয়েল ৫০ মিঃলিঃ ২০২ বোতল, ২০) কেনালগ ৫ গ্রাম ৪ পিস, ২১) স্কীন লাইট ২০ গ্রাম ১০ পিস সহ আরো বিভিন্ন বিক্রয় নিষিদ্ধ অবৈধ ওষুধ মালামাল জব্দ করা হয় এবং র‍্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত ধ্বংস করে দেয়। জব্দকৃত মালামালের মূল্য ১০ লক্ষ টাকার হবে। এ সংক্রান্তে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(এ)/সি ধারায় মোবাইল কোর্ট মামলা নং- ০৮/১৯ দায়ের করা হয়েছে ।
    অবৈধভাবে নকল পণ্য ক্রয় বিক্রয় ও তৈরী করার অভিযোগ পেলে আগামীতেও র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • সাভারের আশুলিয়ায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৩৮০ পিস ইয়াবাসহ নারী ব্যবসায়ী আটক

    সাভারের আশুলিয়ায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৩৮০ পিস ইয়াবাসহ নারী ব্যবসায়ী আটক

    • শেখ এ কে আজাদ,নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

     

    সাভারের আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে সানজিদা আক্তার তুন্তী (২৩) নামের এক নারী ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তার দেহ তল্লাশি করলে ৩৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর রাতে আশুলিয়ার নবীনগর এলাকায় ইউনিক বাসের কাউন্টারের সামনে থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে জানায় ডিবি পুলিশ। আটককৃত সানজিদা আক্তার তন্তী ওরফে ইয়াবা সুন্দরী আশুলিয়া থানাধীন ডেন্ডাবর এলাকার মামুনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে অভিযানে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম জানান, মাদকের বড় একটি চালান আসছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সানজিদা পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশীকালে তার পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ৩৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, আটককৃত এই সুন্দরী তরুণী দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর, ডেন্ডাবর, পল্লীবিদ্যুত, নিরিবিলি, নয়ারহাট, ধামরাই ও বাইপাইল এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাইকারী ভাবে বিক্রয় করে আসছিলো। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকার নিজ ঘর থেকে ১ মাস পূর্বে এই সানজিদা আক্তার তন্তী ওরফে ইয়াবা সুন্দরীর মা ও ছোট ভাইকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

  • সাভার পৌর ৩ নং ওয়ার্ডে ড্রেনের ময়লা আবর্জনায় দূর্গন্ধ ছড়িয়ে দূষিত হচ্ছে এলাকা,দূর্ভোগে এলাকার মানুষ

    সাভার পৌর ৩ নং ওয়ার্ডে ড্রেনের ময়লা আবর্জনায় দূর্গন্ধ ছড়িয়ে দূষিত হচ্ছে এলাকা,দূর্ভোগে এলাকার মানুষ

    • শেখ এ কে আজাদ,নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

    সাভার পৌর এলাকায় বিভিন্ন ড্রেনের ময়লা আবর্জনা পৌর কর্তৃপক্ষ উঠেয়ে রাখার পর দিনের পর দিন এভাবে পরে থাকতে দেখা গেছে। ১৯ ডিসেম্বরবৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে গেলে এ চিত্র দেখা যায়। সাভার পৌর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের সবুজ বাগ এলাকায় এ রাস্তাটি। রাস্তায় পরে থাকা মায়লা আবর্জনা পরে আছে গত কয়েক দিন ধরে। আবার ময়লা আর্জনা মধ্যে ড্রেনের উপর টং বসিয়ে গরীব- অসহায় মানুষ পিঠা বিক্রি করছে। এ ময়লা আবর্জনা পরে থাকায় দূষিত হচ্ছে এলাকা। এলাকাবাসী জানায় এ ময়লা আর্জনা ড্রেন থেকে পরিস্কার করার পর দিনে পর দিন রাস্তায় থেকে ড্রেনের মধ্যে পরে থাকে, ফলে এলাকায় দূষন আর দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং এ হাজার হাজার মানুষ রাস্তা দিয়ে চলাচল করলে সাধারন মানুষ দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই সাভার পৌর কর্তৃপক্ষের ড্রেনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নিয়ে সাধারন মানুষকে দূর্ভোগ থেকে মক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • সাভারে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

    সাভারে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

    • সাভার থেকে শেখ এ কে আজাদঃ

    ঢাকার সাভারে এক গৃহবধুকে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণকারী দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো শিমুল (১৯) ও জুয়েল (১৮)।গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় সাভার পৌর এলাকার নামা গেন্ডা মোল্লাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
    পুলিশ জানায় সকালে ওই গৃহবধু (১৯) পাশের বাসায় তার নিজ কক্ষে ডেকে নেয় খালাতো দেবর শিমুল। সেখানে শিমুল ও তার বন্ধু জুয়েল জোর করে ধর্ষন করে গৃহবধূকে। ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় শিমুল। এরপর ওই দিন রাতেই ধর্ষণকারী শিমুলকে প্রধান ও জুয়েলকে দ্বিতীয় আসামী করে সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন গৃহবধূ। অভিযোগ পেয়ে রাতেই শিমুল ও জুয়েলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়।
    সাভার মডেল থানার অপারেশন জাকারিয়া হোসেন জানান,গণধর্ষণের শিকার গৃহবধুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টফ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।অভিযান চালিয়ে দুজন ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • সাভারে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৪ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা,আটক ২

    সাভারে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৪ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা,আটক ২

    • সাভার থেকে শেখ এ কে আজাদঃ

    সাভারে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৪ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইটভাটা দুটির বেশির ভাগ অংশ।

    বুধবার সকাল ১০টার দিকে আমিনবাজারের সালেহপুর এলাকায় তিতাস ব্রিকস, মিতালী ব্রিকস ও এমআর ব্রিকস নামে তিন ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকসুদুল ইসলাম।

    এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহেদা বেগম ও সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, রাজধানীর পাশে আমিন বাজার এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা অন্তত ৫০ অবৈধ ইটভাটায় দীর্ঘদিন ধরে ইট পোড়ানো হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকাসহ নানা অভিযোগে বুধবার এসব ইটভাটায় অভিযান শুরু পরিচালনা করা হয়।

    সকালে প্রথমে আমিনবাজারের সালেহপুর এলাকার তিতাস ব্রিকস ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেন তারা। এসময় ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় ইটভাটার বেশিরভাগ অংশ। তবে তাৎক্ষণিক জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ভাটার মালিক ফয়সালকে আটক করা হয়। পরে জরিমানা আদায়ের পর তাকে ছেড়ে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    এরপর পার্শ্ববর্তী মেসার্স মিতালী ব্রিকস নামে অপর এক ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে একই অভিযোগে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ইটভাটার চুল্লির কিছু অংশ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    পরে এমআর ব্রিকস নামে আরেক ইটভাটার ছাড়পত্র ও অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দেখাতে ব্যর্থ হন ইটভাটার মালিকপক্ষ। এসময় ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা,মীম ব্রিক্সকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা প্রদানসহ ভাটার বেশিরভাগ অংশ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকার চারপাশের বিভিন্ন জেলার অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার সাভারে অভিযান চালিয়ে অবৈধ এসব ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, আগে ইটভাটার আংশিক ভেঙে দিয়ে বেশি টাকা জরিমানা করা হতো। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কম জরিমানা করে ভাটার কার্যক্রম  বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

  • মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত রাজাকারের তালিকায়  সাকা চৌধুরীর নাম নেই

    মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত রাজাকারের তালিকায় সাকা চৌধুরীর নাম নেই

    • সত্যের সংবাদডেক্সঃ

    একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তাকারী রাজাকার, আলবদর ও আল শামসের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথম দফায় ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের নাম প্রকাশ করে। এই তালিকায় বহু মুক্তিযোদ্ধার নামও যুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর নামসহ একাত্তরে রণাঙ্গনে যুদ্ধে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের।

    রাজাকারের এই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাখার পাশাপাশি বাদ দেয়া হয়েছে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের নাম। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে প্রসিকিউশনে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর নাম নেই এই তালিকায়। অথচ যুদ্ধাপরাধ প্রমাণ হওয়ায় বিএনপির তৎকালীন স্থায়ী কমিটির এই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় ২০১৫ সালের নভেম্বরে। তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। কিন্তু সরকারের প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় তার নাম নেই।

    একইভাবে নোয়াখালীর ২৫ রাজাকারের যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া রাজাকার আমির আলীর নামও ওঠেনি।

    সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম রাজাকারের তালিকা থেকে বাদ পড়লে এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে তার চাচা ফজলে কবির চৌধুরীর নাম। ‍যিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। এ নিয়ে চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

    তালিকা এ তালিকা আজ হাস্যকর করা পরিনত হয়েছে। তবে ১৮ ডিসেম্বর বুধবারে এ রাজাকারের তালিকা প্রত্যাহার করে নেয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রানালয়।

  • বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে নেতাদের একজনও কেন এগিয়ে এসে সাহসী ভূমিকা রাখেননি— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে নেতাদের একজনও কেন এগিয়ে এসে সাহসী ভূমিকা রাখেননি— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    • ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সময় আওয়ামী লীগের নেতারা কোথায় ছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নেতাদের একজনও কেন এগিয়ে এসে সাহসী ভূমিকা রাখেননি—সেই প্রশ্নের জবাব আজও খুঁজে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘এটা (আওয়ামী লীগ) এত বড় একটি সংগঠন কত নেতা! তাঁরা তখন কোথায় ছিলেন? মাঝেমধ্যে এর উত্তর আমি খুঁজে ফিরি; কেউ একজনও সাহস নিয়ে এগিয়ে গেলেন না। সাধারণ মানুষ সব সময় বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন।’

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিজয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হবে—সেই বিষয়টি দেশের কেউ কেন জানতে পারলেন না এবং একজনও কেন হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলেন না, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘৩২ নম্বরের (ধানমন্ডি) মেঝেতে তাঁর মরদেহ পড়ে ছিল, কেন? এর জবাব আমি আজও পাইনি।’ তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে রক্ষায় ব্যর্থতার খেসারত পরবর্তী দশকগুলোতে দিতে হয়েছে জাতিকে।

    স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানপ্রেমীদের ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর বা দালালচক্র যারা অন্তরে অন্তরে পাকিস্তান প্রেমে ভোগে, তাদের চক্রান্ত এই মাটিতে কখনো সফল হতে পারে না। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা এবং জাতির পিতা এই দেশের জন্য সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁর ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে আমরা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নীতি-আদর্শগতভাবে যেভাবেই হোক পাকিস্তানের ওপর আমরা থাকব। আজকে সত্যিই বাংলাদেশ সব দিক থেকে পাকিস্তানের ওপর অবস্থান করছে এবং আমাদের সেটি ধরে রাখতে হবে। নইলে ওই পাকিপ্রেমী যারা, তারা বিদেশেই থাক, জেলখানাতেই থাক আর যেখানেই থাক তাদের চক্রান্ত থাকবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার সেই কথা স্মরণ করতে হবে যে এই সাত কোটি বাঙালিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ তিনি বলেন, ‘এখন আমরা ১৬ কোটি। এখানে মুষ্টিমেয় দালাল থাকতে পারে, কিন্তু এই বাঙালিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি ও পারবে না। সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘এই বিজয় দিবস আজকে ব্যাপকভাবে উদ্‌যাপিত হয়েছে। সারা দেশ লাল-সবুজের রঙে রঙিন হয়ে এ বিজয় উদ্‌যাপন করেছে। আমি আশা করি ঠিক বিজয়ীর বেশে বাঙালি জাতি সারা বিশ্বে তার মর্যাদা নিয়ে চলবে।’