Blog

  • সাভার সংসদীয় আসনে পোষ্টার ছিড়ে ফেলা ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এনপিপির

    সাভার সংসদীয় আসনে পোষ্টার ছিড়ে ফেলা ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এনপিপির

    সাভার সংসদীয় আসনে পোষ্টার ছিড়ে ফেলা ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এনপিপি’ র 

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদক,সাভার থেকে:
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা- ১৯ সাভার-আশুলিয়া আসনের সংসদীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এর মনোনীত প্রার্থী আম প্রতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কাজী মাওলানা মোঃ ইসরাফিল হোসেন সাভারী। গত ১৯ তারিখ থেকে নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন তিনি। ঢাকা ১৯ সাভার আসনের আওয়ামীলীগ ও সতন্ত্রসহ ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ।
    ন্যাশনাল পিপলস পার্টি সাভার সংসদীয় আসনের প্রার্থী কাজী মাওলানা মো: ইসরাফিল হোসেন সাভারী তার টাঙ্গানো পোস্টার ছিড়ে ফলাসহ বিভিন্ন ভাবে কর্মীদের হুমকি ধামকি দেয়ায় নাম উল্লেখ না করে শনিবার সকালে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাভার উপজেলা নির্বাচনী সহকারী রিটার্নিং কার্যালয় বরাবর।

    সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী মাওলানা মো: ইসরাফিল হোসেন সাভারী সাংবাদিকদের জানান আমার টাঙ্গানো পোস্টার ছিড়ে ফেলছে এবং কর্মীদের পোস্টার টাঙ্গাতে গেলে তাদেরকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে দুষ্কৃতকারীরা। তিনি আরো বলেন ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় দুষ্কৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন তিনি,তিনি আরো বলেন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক এমনটা আশা প্রকাশ করেছেন তিনিসহ এলাকার কর্মী সমর্থক ও ভোটাররা।
    সম্প্রতি ক্যাম্প ভাংচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় হকার্সলীগ এর নেতা নজরুলসহ নৌকার দুই সমর্থক গ্রেফতার হয়েছেন।

     

  • সাভারে সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ জংয়ের নির্বাচনী অংশে নিয়ে বর্নাঢ্য ৱ্যালী ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

    সাভারে সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ জংয়ের নির্বাচনী অংশে নিয়ে বর্নাঢ্য ৱ্যালী ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

    সাভারে সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ জংয়ের নির্বাচনী অংশে নিয়ে বর্নাঢ্য ৱ্যালী ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার থেকে:
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার ঢাকা-১৯ সাভারে আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য তৌহিদ জং মুরাদ এর নির্বাচনে শিমুলতলার ” দরবার এ জং” নিজস্ব ভবনে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন।
    জনপ্রিয় এই মুরাদ জংয়ের আসার খবর পেয়ে সকাল থেকে শিমুলতলার অফিসের সামনে উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে গাড়ি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার,ট্রাক পিকআপ ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে দলে দলে সাধারণ মানুষ ও কর্মী সমর্থ জরো হতে থাকে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা আরিচা মহসড়ক যে এক জনসমুদ্রে পরিনত হয়।
    দুপুরের দিকে মুরাদ জং তার বাসভবনের ছাদের উপর উঠে উপস্থিত জনসাধারণের সামনে এসে সালাম বিনিময়ের পর তার নির্বাচনী অফিস কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন।
    তিনি জনসাধারণের কাছে এবারে ঈগল মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে বলেন আপনারা আগামী ৭ তারিখে নির্বাচন নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নির্ভয়ে ভোট দিয়ে আমাকে আবারও আপনাদের সেবা করার আবার পূণরায় সুযোগ দিবেন। তিনি কোন বিশৃঙ্খলা চায় না এবারও শেখ হাসিনাস মার্কা নৌকার পাশাপাশি ঈগল তাই সকলকে ঈগল মার্কায় ভোট দিতে অনুরোধ করেন।
    এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাভার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা
    বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: সূজন, সাভার পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি হাজী আবদুল হালিমসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্নস্তরের সাভার ও আশুলিয়ার নেতাকর্মীসহ প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

     

  • শিশু চাকায় পিষ্ট হলে মামলার ধরন পাল্টে দিয়ে মধ্যস্থতা করলো সাভার হাইওয়ে পুলিশ

    শিশু চাকায় পিষ্ট হলে মামলার ধরন পাল্টে দিয়ে মধ্যস্থতা করলো সাভার হাইওয়ে পুলিশ

    শিশু চাকায় পিষ্ট হলে মামলার ধরন পাল্টে দিয়ে মধ্যস্থতা করলো সাভার হাইওয়ে পুলিশ

    সত্যের সংবাদ ডেক্স:
    ঢাকা আরিচা মহাসড়কে সেলফি পরিবহনের বেপরোয়া গতির চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেছে বেশ কয়েকজনের। তরতাজা জীবন্ত মানুষ গুলো মুহূর্তেই হচ্ছে লাশ। মৃতদেহ গুলো অনেকের কাছে সংখ্যা হলেও ভুক্তভোগী পরিবারটির কাছে সারা জীবনের জন্য বেদনার।

    এক ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রতিনিয়ত আরেক ঘটনার জন্ম দেওয়া সেলফি পরিবহনের বিরুদ্ধে সঠিক আইনগত ব্যবস্থা নিতেও পারছেনা ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। বেশিরভাগ সময় সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশের সমঝোতায় পাল্টে যায় মামলার ধরন।

    এমন আরেকটি ঘটনার সাক্ষী হলো সেলফি পরিবহনের চাপায় নিহত শিশু তাওহীদ (১০) এর পরিবার। বার্ষিক পরীক্ষার ছুটি শেষে গ্রাম থেকে সাভারে পোশাক শ্রমিক মা-বাবার কাছে বেড়াতে এসে এমন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুটির। সেলফি পরিবহনের বেপরোয়া গতিতে বাবার হাত ধরে থাকা তাওহীদের ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

    শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডের লাঙ্গলের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুর বাবা মোস্তফা জানান, তার স্ত্রী শাপলাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি পাবনা থেকে এসে সাভারের গেন্ডা এলাকায় ভাড়া থেকে আল মুসলিম গ্রুপের পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে গ্রামে দাদা-দাদির বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। বার্ষিক পরীক্ষার ছুটিতে গ্রামের বাড়ি পাবনা থেকে শনিবার রাতে মা বাবার কাছে সাভারে বেড়াতে আসে তিন সন্তান তাওহীদ (১০) তানজিদ(৮) ও মুসলিমা(৬)।

    তবে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নেমে তিন সন্তানকে নিয়ে মহাসড়ক পার হয়ে বিপরীত দিকে আসতেই দ্রুত গতিতে ছুটে আসা ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জগামী সেলফি পরিবহনের একটি বাস তাদের বড় সন্তান তাওহীদকে চাপা দেয়। এ সময় মা-বাবার সামনেই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায় শিশু তাওহীদ।

    এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সেলফি পরিবহনের প্রায় ১১টি বাস আটকে রাখে এলাকাবাসী। মহাসড়কে সেলফি পরিবহনের ধাক্কায় প্রতিনিয়ত একের পর এক লাশ হওয়ায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে উত্তেজিত জনতা।

    খবর পেয়ে ঘন্টাখানেক পর সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে আসে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম। শুরু হয় সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর প্রস্তুতি।

    এর পাশেই নারী ছেড়া ধন সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে বিলাপ করছিলেন শিশু তাওহীদের মা পোশাক শ্রমিক শাপলা বেগম।

    তবে এসআই আব্দুল খালেকের কথাবার্তায় পাল্টে যেতে থাকে পরিস্থিতি। এক পর্যায়ে শিশু তাওহীদের পরিবারের পক্ষ থেকে বাবা মোস্তফা কামালের কাছে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এই লাশের ব্যাপারে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। শিশুটির লাশও নিয়ে যাওয়া হয় ভুক্তভোগী পরিবারের ভাড়া বাসায়।

    এদিকে সেলফি পরিবহনের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে শিশুটি নিহত হওয়ার প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সাক্ষী বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তড়িঘড়ি করে শিশুর বাবা মোস্তফা কামালকে সাভার হাইওয়ে থানায় লাশ সহ নেওয়া হয়। এ সময় নিকট আত্মীয় আব্দুল আউয়ালসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও সঙ্গে ছিলেন।

    শিশু তাওহীদের নিকটআত্মীয় মোঃ আব্দুল আউয়াল ১৭ ডিসেম্বর ভোর ৪ টায় সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, তাওহীদ তার বাবার হাত ধরে রাস্তা পার হয়ে রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। মানিকগঞ্জ গামী একটি সেলফি পরিবহনের বেপরোয়া গতিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় তাওহীদ। আমরা ঘটনার বিচার দাবি করলে পুলিশ আমাদের পরামর্শ দেয় যদি মামলা করি তাহলে লাশ পোস্টমর্টেম হবে, পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরেও দেরি হবে। তাই আমরা মালিক পক্ষের সাথে বসার ব্যবস্থা করে দেই। তাহলে লিখিত দিয়ে লাশ নিয়ে দ্রুত গ্রামে চলে যেতে পারবেন। পুলিশ কর্মকর্তার এই কথায় বাধ্য হয়ে আমরা রাজি হয়ে যাই।

    তিনি বলেন, পুলিশের মোবাইল দ্বারা সেলফি পরিবহন কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের কথা বলিয়ে দেন। পরে মালিকপক্ষের রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আমাদের প্রথমে ৫০ হাজার পরে ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখেন। আমরা রাজি না হয়ে মামলা করতে চাই।

    আওয়াল আরও বলেন, কাউকে দায়ী না করে শিশুটির লাশ হস্তান্তরের জন্য চারটি পৃষ্ঠায় শিশুর বাবা মোস্তফা কামালের কাছে স্বাক্ষর নেন এসআই আব্দুল খালেক স্যার। পরে মামলার এজাহার লেখা হয়। এরপর আরো দুইটি স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এই অভিযোগ পত্রের এজাহারে আমরা প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সেলফি পরিবহনের নাম উল্লেখ করতে চাইলেও পুলিশ কোনভাবেই নিতে রাজি হয়নি। আমরা একাধিক বার অনুরোধ করার পরেও তিনি অজ্ঞাত হিসেবে অভিযোগ পত্র নিয়েছেন। এটা মামলা হালকা করার একটা প্রক্রিয়া। পরিবহন মালিকের সাথে হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি সুসম্পর্ক রয়েছে এজন্যই আমাদের গরিবের কোন কথার দাম নেই। লাশ এভাবে নিয়ে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছি।

    রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ২ টায় সাভার হাইওয়ে থানার ভিতরে পুলিশের মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগী পরিবার ও সেলফি পরিবহন কর্তৃপক্ষের একটি আপসনামা, এজাহার ও লাশ হস্তান্তরের পত্র হাতে আসে প্রতিবেদকের। এতে শিশুটির প্রাণের মূল্য ধরা হয় ১ লাখ টাকা। শিশুটির বাবা মোস্তফা কামালের অবর্তমানে নিকট আত্মীয় আব্দুল আউয়াল ও তার বন্ধু হাজী আমজাদ আলীর কাছে ১ লাখ টাকা নগদ হস্তান্তর করে সেলফি পরিবহন কতৃপক্ষ।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুল আউয়াল বলেন, সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ আমাদের দুই পক্ষকে বসে সমঝোতা করতে বলেন। সেলফি পরিবহনের পক্ষে ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম আর শিশুর পক্ষে ছিলাম আমি। এছাড়াও এসআই আব্দুল খালেক সহ আরো বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। যদিও প্রাণের মূল্য এক লাখ টাকা নয় তবুও পরিবহনের লোকজন আমাদের ১ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় এবং আমরা তা গ্রহণ করি।

    সমঝোতা পত্রে সেলফি পরিবহন মালিকপক্ষের সাক্ষী রফিকুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন, শিশু তাওহীদকে কোন গাড়িটি চাপা দিয়েছে এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত করছে। এই রুটে আমাদের ১৪০ টিরও বেশি গাড়ি চলাচল করে। তারপরেও পাবলিক যেহেতু আমাদের গাড়ি আটকে দিয়েছে তাই গরিব মানুষ বিবেচনা করে আমরা মানবিক কারণে ১ লাখ টাকা দিয়েছি। আমি এখনো সাভার হাইওয়ে থানায়, এগুলো নিয়ে কাজ করছি, পরে আরো বিস্তারিত কথা বলব।

    মামলার আগে পুলিশের মধ্যস্থতায় মীমাংসার ব্যাপারে জানতে চাইলে সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক বলেন, আমরা মীমাংসা করব কেন.? মীমাংসা তো ওরা দুই পক্ষ করবে। মীমাংসা তো আমাদের দায়িত্ব না, আমরা মামলা নিছি, মামলা তদন্ত করব’ মামলা কোর্টে যাবে। মীমাংসা হওয়া তাদের ব্যাপার।

    আপনিসহ দুই পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুইপক্ষ থানার ভিতরে নাকি বাইরে বসে সমাধান করেছে, এটা তারাই জানে, আমি কিছু জানিনা।

    সাভার হাইওয়ে থানায় মীমাংসার প্রমাণপত্র দিয়ে জানতে চাইলে আব্দুল খালেক বলেন, আমার সামনে কোন সমাধান হয়নি। তবে আমার সাথে অনেকেই বসে কথা বলতে পারেন। আপনি আসলে আপনার সাথেও বসে আমি কথা বলব এবং অবশ্যই একসাথে বসে কথা বলতে হবে। তারা যদি দুই পক্ষ আসে তাদের সাথে কথা বলা তো আর আমার অন্যায় কিছু না। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি রয়েছে, আর এটা দেখানো উচিত।

    এজাহারে সেলফি পরিবহনের নাম আনা হয়নি এমন অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, গাড়ি অজ্ঞাতনামা হিসেবে মামলা রেকর্ড হয়েছে। এখন সেটা সেলফি পরিবহনের হোক আর অন্য কোন গাড়ি হোক সেটা তদন্তে বেরিয়ে আসবে, যদি সেলফি পরিবহন যুক্ত থাকে তখন তার নাম উল্লেখ করবো। সেলফি পরিবহনের নাম দিয়ে তো গাড়ি সনাক্ত করা যায় না, এই পরিবহনের অনেক গাড়ি রয়েছে, এটার নাম্বার বের করে গাড়ি সনাক্ত করতে হবে আমাকে।

  • মায়ের মানত পূরণ করতেই সাতটি বিয়ে..রবিজুলের

    মায়ের মানত পূরণ করতেই সাতটি বিয়ে..রবিজুলের

    সত্যের সংবাদ ডেস্ক:

    একটি, দুটি কিংবা তিনটি নয়, সাতটি বিয়ে করেছেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার রবিজুল ইসলাম (৩৯) নামে এক যুবক। সাত বউকে নিয়ে সুখের সংসার তার। স্ত্রীরা মিলেমিশে থাকছেন একই বাড়িতে। মায়ের মানত পূরণ করতেই সাতটি বিয়ে করেন তিনি।

    রবিজুল ইসলাম কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের পাটিকাবাড়ি গ্রামের মিয়াপাড়ার আয়নাল মন্ডলের ছেলে। তিনি ১৫ বছর লিবিয়াতে ছিলেন। দুই বছর আগে আসেন দেশে। লিবিয়াতে থাকার সময়ই ১৯৯৯ সালে করেন প্রথম বিয়ে। এরপর একে একে করেন আরও ছয়জনকে।

    তার স্ত্রীরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হালসা গ্রামের রুবিনা খাতুন (৩৫), একই উপজেলার গোস্বামী দুর্গাপুর এলাকার মিতা আক্তার (২৫), কিশোরগঞ্জের হেলেনা খাতুন (৩০), রাজশাহীর চাপাই এলাকার নুরুন নাহার (২৫), চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার স্বপ্না (৩০), একই উপজেলার ডম্বল পুর এলাকার বানু আক্তার (৩৫) ও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকার রিতা আক্তার (২০)।

    রবিজুল ইসলাম বলেন, আমি মা-বাবার একমাত্র ছেলে। আমার একটা সমস্যা ছিল। সেজন্য আমার মা মানত করেছিলেন, ‘ছেলে বেঁচে থাকলে তাকে সাতটি বিয়ে দিবেন’। তাই মায়ের সেই মানত পূরণ করতে আমি সাতটি বিয়ে করেছি। এতে আমি, আমার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা সবাই খুশি। সাতটি বউ-ই খুব ভালো। স্ত্রীদের পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হয় না। সাত স্ত্রী ও ৫ সন্তান নিয়ে সুখের সংসার আমার। সব স্ত্রীরা আমাকে আদর যত্ন করেন এবং খুব ভালোবাসেন। সারাদিন সবাই একসঙ্গে কাজ করেন। সপ্তাহের সাত রাতে সাত বউয়ের কাছে থাকি। এতে কোনো সমস্যা হয় না।

    তিনি আরও বলেন, আমি ১৫ বছর লিবিয়াতে ছিলাম। গত দুই বছর আগে দেশে এসেছি। বর্তমানে আমার একটি ড্রাইভিং শেখার সেন্টার আছে। এ ছাড়া কয়েকটি মাইক্রোবাস রয়েছে। আমি এখন ড্রাইভিং শেখাই।

    জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে রুবিনাকে বিয়ে করেন রবিজুল ইসলাম। এই দম্পতির ‍দুই ছেলে রয়েছে। এরপর লিবিয়ায় থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালে হেলেনাকে বিয়ে করেন। এ স্ত্রীর ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে। করোনার সময় ২০২০ সালে নুরুন নাহারকে বিয়ে করেন। তার এক মেয়ে আছে। ২০২২ সালে বিয়ে করেন স্বপ্নাকে। তিন মাস আগে বানুকে, আড়াই মাস আগে রিতাকে এবং দুই মাস আগে মিতাকে বিয়ে করেন। সব বিয়েই করেন পারিবারিকভাবে।

    স্থানীয়রা বলেন, রবিজুল ইসলাম সাতটি বিয়ে করেছেন। সাত বউ নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করেন। সাত বউ মিলেমিশে সংসার করে। এলাকার মানুষ তাদের বাড়িতে বেড়াতে যান। তারা ভালোই আছে।

    তার স্ত্রীরা বলেন, আমরা সাত বোনের মতো। আমরা সারাদিন মিলেমিশে সংসারের কাজ করি। সবার সঙ্গে সবার ভালো সম্পর্ক। বোনের মতো এক বাড়িতে বসবাস করি। কেউ কাউকে হিংসা করি না। কে কম কাজ করল বা বেশি করল, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হয় না। আমরা জেনে শুনেই বিয়ে করেছি। আমাদের স্বামী এমন কিছু করেন না যাতে আমাদের মন খারাপ হবে। আমাদের স্বামী খুবই ভালো মানুষ।

  • সাভারে সেলফি পরিবহনের চাপায় এবার প্রাণ গেল শিশুর

    সাভারে সেলফি পরিবহনের চাপায় এবার প্রাণ গেল শিশুর

    সাভারে সেলফি পরিবহনের চাপায় এবার প্রাণ গেল শিশুর

    সাভার ; সাভারে সেলফি পরিবহনের চাপায় তাওহীদ (১০) নামে এক শিশু ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। বার্ষিক পরীক্ষার ছুটি শেষে সাভারে পোশাক শ্রমিক মা-বাবার কাছে বেড়াতে এসে এমন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুটির।
    শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    শনিবার রাত ১১ দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে লাঙ্গলের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুর বাবা মোস্তফা জানান, তার স্ত্রী শাপলাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি পাবনা থেকে এসে সাভারের গেন্ডা এলাকায় ভাড়া থেকে আল মুসলিম গ্রুপের পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে গ্রামে দাদা-দাদির বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। বার্ষিক পরীক্ষার ছুটিতে গ্রামের বাড়ি পাবনা থেকে শনিবার রাতে মা বাবার কাছে সাভারে বেড়াতে আসে তিন সন্তানরা।

    এসময় সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নেমে তিন সন্তানকে নিয়ে মহাসড়ক পার হয়ে বিপরীত দিকে আসতেই দ্রুত গতিতে ছুটে আসা ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জগামী সেলফি পরিবহনের একটি বাস তাদের বড় সন্তান তাওহীদকে চাপা দেয়। এ সময় মা-বাবার সামনেই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায় শিশু তাওহীদ।

    এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সেলফি পরিবহনের প্রায় ২০টি বাস আটকে রাখে এলাকাবাসী। এছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি বাস।

    সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক বলেন, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মোস্তফা ও শাপলা দম্পতির বাড়ি পাবনা জেলার সাথিয়া থানার ফকিরপাড়া এলাকায়। জীবিকার প্রয়োজনে সাভার এসে আল মুসলিম গ্রুপের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এই দম্পতি।

    উল্লেখ্য, গত ৭ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ে সেলফি পরিবহনের দুই বাসে রেষারেষিতে দুই পথচারী নিহত হন। এছাড়াও বেপরাগুতিতে চলা এই সেলফি পরিবহনের চাপায় প্রাণ গেছে আরো বেশ কয়েকজনের।

  • সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শীতের চাদর উপহার

    সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শীতের চাদর উপহার

    সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শীতের চাদর উপহার

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদক,সাভার থেকে:
    সাভার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩৬৫জন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের জন্য সংবর্ধনায় শীতের জন্য চাদর এবং কি খাবার উপহার দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। সাভার অধরচন্দ্র সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ শেষে এ বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সম্মানিত করেন উপজেলা প্রশাসন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম রাজীব, সভাপতিত্ব করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:ফেরদৌস ওয়াহিদ। আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আকবর আলী খান এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো:সায়েমুল হুদা সহ আরো অনেকে। প্রধান অতিথি বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি তার ডাকে তখন সারা বাংলাদেশের কোটি কোটি জনগণ দেশকে স্বাধীন করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের মধ্যে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

     

  • সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, ক্রিয়ায় অংশগ্রহনে মহিলা ডিগ্রি কলেজ শীর্ষে

    সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, ক্রিয়ায় অংশগ্রহনে মহিলা ডিগ্রি কলেজ শীর্ষে

    সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, ক্রিয়ায় অংশগ্রহনে মহিলা ডিগ্রি কলেজ শীর্ষে

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদক,সাভার থেকে:
    সাভার প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও শরীর চর্চায় অংশ নেয় বিভিন্ন স্কুল কলেজ। সাভার অধরচন্দ্র সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে ১৬ ডিসেম্বর সকালে কুচকাওয়াজ  ক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম রাজীব, সভাপতিত্ব করেন  সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:ফেরদৌস ওয়াহিদ। আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আকবর আলী খান এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো:সায়েমুল হুদা সহ আরো অনেকে।
    অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে সম্মামনা ক্রেষ্ট প্রদান করেন।

    সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার ডিগ্রি কলেজ থেকে কুচকাওয়াজ ও শরীর চর্চায় অংশ গ্রহন করে দুটিতে তৃতীয় অপরটিতে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বলে জানালেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম এ জামান এবং ক্রিয়া শিক্ষিকা ইতি রানি দাস জানান তাদের ১ মাসের কঠোর পরিশ্রম ফসল এবং উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যেয় ব্যক্ত করেছেন।

  • বিএনপির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার দাবি জানালো

    বিএনপির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার দাবি জানালো

    সত্যেরডেক্সসংবাদ:

    বাসে আগুন, পেট্রোলবোমা মারা কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। যারা এসব করছে তারা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তাদের বিরুদ্ধে দেশ ও বিদেশে জনমত গড়ে তুলতে হবে। যারা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতে হবে, রাজনীতি করার অধিকার তাদের নেই। গতকাল রবিবার রাজধানী শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ‘মায়ের কান্না’ ও ‘অগ্নিসন্ত্রাসের আর্তনাদ’ সংগঠনের যৌথ আয়োজনের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন হরতাল-অবরোধ, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আহতরা।

    অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা বলেন, রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণের জন্য হয়, তাহলে বিএনপি-জামায়াত কীসের রাজনীতি করছে? কার জন্য সাধারণ মানুষের শরীরে আগুন দিচ্ছে? তাদের এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতে হবে। অনুষ্ঠানে গত ২৮ অক্টোবর রাজধানী নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে সহিংসতায় নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের স্ত্রী রুমা আক্তার বলেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার শিকার আমার স্বামী। তার কী দোষ ছিল? কেন তাকে হত্যা করা হলো? সে তো কোনো রাজনীতি করত না। তাকে কেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হত্যা করা হলো? আমার দুই সন্তান তাদের বাবার লাশ ধরতে পারেনি। তাদের এখন একটাই প্রতিজ্ঞা আর তা হলো পুলিশ হয়ে বাবা হত্যার বিচার করা। পুলিশ দেখলেই তারা তার বাবাকে খোঁজে।’

    গত নভেম্বরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসে দেওয়া আগুনে মারা যান ওই বাসের চালকের সহকারী (হেলপার) আবু নাঈম। তার মা বলেন, ‘আমার ছেলে তো রাজনীতি করত না। কেন তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো? বাবা সংসারের হাল ধরতে পারেনি তাই নাঈম বাসের হেলপারি শুরু করে। পুরো পরিবারের খরচ বহন করত সে। তাকে হারানোর পর পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।’

    ‘বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে’ হত্যার শিকার যুবলীগের আজাদের ভাই বলেন, ‘আমি রাস্তায় গেলে আমাকে হত্যা করবে, তাই আমার পরিবার আমাকে রাস্তায় বের হতে দেয় না। এমন শঙ্কায় আমরা জীবন পার করছি।’

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের সালাউদ্দিন বলেন, ‘২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি কোনাবাড়ীতে গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সেই আগুনে আমি পঙ্গুত্ব বরণ করি। এরপরও বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস থামেনি। তাদের আগুনে সারা দেশ জ্বলছে।’

    ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর বিদ্রোহ দমনের নামে বিমানবাহিনীর সহস্রাধিক সদস্যকে গুমের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় ‘মায়ের কান্না’ সংগঠনটি। ওই বছর মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বিমানবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা সার্জেন্ট সাইদুর রহমান মিঞার ছেলে মো. কামরুজ্জামান মিঞা লেলিন এ সংগঠনের সমন্বয়ক।

    তিনি বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর ঢাকায় জাপানি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পরিকল্পিতভাবে একটি অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি করেন। পরে তথাকথিত বিদ্রোহ দমনের নামে জিয়াউর রহমান একদিনের সামরিক আদালতে বিচার করে সেই রাতেই ফাঁসি সম্পন্ন করতেন নিরপরাধ সামরিক সদস্যদের। রাতের আঁধারে কারফিউ দিয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রংপুর, যশোর ও বগুড়া কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করা হতো। আমরা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করছি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করায় তার গড়া দল বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।’

  • সাভারে জাবাল ই নূর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে প্রাথমিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হলো মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি

    সাভারে জাবাল ই নূর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে প্রাথমিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হলো মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি

    জাবাল ই নূর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে প্রাথমিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হলো মেধা  বৃত্তি মূল্যায়নে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০ জন

    শেখ এ কে আজাদ,নিজস্ব প্রতিবেদক,সাভার থেকে:
    সাভারে জাবাল ই নূর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি ২০২৩। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে । সাভার পৌরসভা কেন্দ্রিক ৯টি মাদরাসা এ পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়।অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০ জন। বৃত্তি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন সাভার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোঃ শহিদুল হক ,ড. মোঃ ইলিয়াস মোল্লা, অধ্যাপক ডক্টর মোঃ সাইফুল ইসলাম রফিক , জনাব মোঃ আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ হোসাইন উদ্দিন সহ বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বৃন্দ।
    বালক বালিকাদের জন্য পৃথক দুটি কেন্দ্রে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

     

  • নাটোরের জেলা রেজিস্ট্রারের চার বছরের কারাদণ্ড

    নাটোরের জেলা রেজিস্ট্রারের চার বছরের কারাদণ্ড

    সত্যেরসংবাদডেক্স:দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় নাটোর জেলার রেজিস্ট্রার (পিআরএল ভোগরত) ও ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের সাবেক সাব-রেজিস্টার মো. এসকেন্দার আলীকে (৪৯) দুই ধারায় চার বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আসামি এসকেন্দার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার দামগাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

    তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে চার লাখ ৩৬ হাজার দুইশত দুই টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত চার লাখ ২৬ হাজার দুইশত টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেন আদালত।

    এছাড়াও এ মামলায় আসামি কর্তৃক ভোগকৃত হাজতবাস উল্লিখিত দণ্ড হতে বিধি মোতাবেক বাদ যাবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। এদিন রায় ঘোষণার সময় আসামি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছু সময়ের পর তিনি সুস্থ হলে তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি রেজিস্ট্রার এসকেন্দারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।