Blog

  • দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র সাব এডিটর হোসেন মাহমুদের ইন্তেকালে সরিষাবাড়ীর কর্মরত সাংবাদিক মহল শোক

    দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র সাব এডিটর হোসেন মাহমুদের ইন্তেকালে সরিষাবাড়ীর কর্মরত সাংবাদিক মহল শোক

    সরিষাবাড়ী প্রতিনিধিঃ

    বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট, লেখক ও দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র সাব এডিটর হোসেন মাহমুদের ইন্তেকালে সরিষাবাড়ীর কর্মরত সাংবাদিক মহল শোক জ্ঞাপন করেছেন। এ উপলক্ষে শনিবার সন্ধায় সরিষাবাড়ী শিমলা বাজারস্থ বাস ষ্ট্যান্ড এলাকায় সমকাল অফিসে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়। দৈনিক যুগান্তরের সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম ঠান্ডুর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক নয়াদিগন্তের সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি ইব্রাহিম হোসাইন লেবু, দৈনিক মানবকন্ঠের প্রতিনিধি সাংবাদিক কবি ও লেখক জাকারিয়া জাহাঙ্গীর, সমকাল প্রতিনিধি সোলাইমান হোসেন হরেক, দৈনিক বর্তমান প্রতিনিধি মমিনুল ইসলাম কিসমত, যায়যায় দিন প্রতিনিধি ফারুক হোসেন ফিরুজ,আজ কালের খবরের প্রতিনিধি গোলাম ফারুক, দি এশিয়ান এইজের প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম নিরবসহ স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার অন্যান্য সাংবাদিকগন। দৈনিক ইনকিলাবের সরিষাবাড়ী সংবাদদাতা মৌলানা এম এ মান্নান পরে নিহত হোসেন মাহমুদের বিদেহী মাগফেরাত ও দেশবাসীর কল্যান কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন।

  • কেরানীগঞ্জে থানা এলাকায় অজ্ঞাত নামা এক শিশুর লাশ উদ্ধার

    কেরানীগঞ্জে থানা এলাকায় অজ্ঞাত নামা এক শিশুর লাশ উদ্ধার

    শনিবার ২১ ডিসেম্বর সকালে ঢাকা কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানাধীন বেয়ারা বাজার মুসলিমনগর এলাকায় অজ্ঞাত নামা ৮ বছরের একটি নারী শিশু লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । মেয়েটির পড়নে ছিল টিয়া রংয়ের কামিজ ও সবুজ রংয়ের পায়জামা।

    শিশু মেয়েটির পরিচয় জানলে দ্রুত কেরানীগঞ্জ থানার নিন্মের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করতে বলা হয়েছে।
    ০১৭১৩-৩৭৩৩২০, ০১৭১৩-৩৭৩৩২৬, ০১৭১৩-৩৭৩৩২৪, ০১৭৬৯-৬৯০২৭৮, ০১৭১৩-৩৭৩৩৩৩,

    দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার-০১৭৬৯-৬৯০২৮৫ অথবা ৯৯৯। বিজ্ঞপ্তি

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বৃদ্ধাশ্রমের সালেহা বেওয়া আর নেই

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বৃদ্ধাশ্রমের সালেহা বেওয়া আর নেই

    • গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের মেহেরুন্নেছা বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত বাসিন্দা সালেহা বেওয়া(৬৮) শনিবার ভোরে একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করিয়াছেন (ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)।

    এ বিষয়ে বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক আপেল মাহমুদ জানিয়েছেন,গেলো সন্ধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত সালেহা বেওয়া নামে এই দাদী নামাজের জন্য টিউবওয়েলে ওযু করতে গেলে সেখানে পড়ে গিয়ে বেহুশ হয়।তৎক্ষনিক তার চিকিৎসার জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা মৃত্যু ঘোষনা করে। সালেহা বেওয়া(৬৮) শনিবার ২১ ডিসেম্বর ভোর বেলায় তিনি দুনিয়া ছেড়ে চলে যান।
    এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাখাওয়াত হোসেন জানান, ধারণা করা যাচ্ছে তিনি স্ট্রোক করে পড়ে গিয়েছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সালেহা বেওয়া এর আগে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে বসবাস করতেন।স্বামী মারা যাওয়ার পর অসহায় হয়ে অন্যের বাসা-বাড়ীতে কাজ ও ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করতেন তিনি।বয়সের ভারে ও শারিরীক অক্ষমতায় গৃহকর্ম ও ভিক্ষাবৃত্তিও চালিয়ে যেতে না পারায় বছর দেড়েক আগে এ বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয় সালেহা বেওয়া।
    এদিকে এ বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত অন্যান্য বৃদ্ধ -বৃদ্ধারা জানান, সালেহা বেওয়া এখানে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই সকলের সাথে মিলেমিশে,হাসিখুশি, গল্পগুজব করেই দিননিপাত করতেন। হঠাৎ সালেহা বেওয়ার এমন মৃত্যুতে তারাও শোকে কাতর বৃদ্ধাশ্রমের সকলে। সকলে তার মাগফেরাত কামনার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

  • কী ব্যাপারে তারা একে অন্যকে জিজ্ঞেস করছে?শেষ বিচার দিন কোনো ঠাট্টা তামাশার বিষয় নয়

    কী ব্যাপারে তারা একে অন্যকে জিজ্ঞেস করছে?শেষ বিচার দিন কোনো ঠাট্টা তামাশার বিষয় নয়

    • ইসলাম ধর্মঃ

    শেষ বিচার দিন কোনো ঠাট্টা তামাশার বিষয় নয়। এটি সৃষ্টিজগতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। এই দিন অসহায় অত্যাচারিত মানুষের ন্যায্য বিচার পাওয়ার দিন। জোর খাটিয়ে দুনিয়ায় পার পেয়ে যাওয়া সব অত্যাচারীর পাকড়াওয়ের দিন। এই দিন সর্বোচ্চ আদালতে হাজিরা দেওয়ার দিন। হাজার কোটি মামলার শুনানি এবং ফয়সালার দিন। একইসাথে এই দিন সকল ন্যায়পরায়ন, যোগ্য মানুষের ভালো কাজ এবং ত্যাগের প্রতিদান পাওয়ার দিন।

    পরম-করুণাময়ের অসীম দয়া উপভোগের দিন। তাহলে, কোন সাহসে মানুষ এরকম এক বিরাট ঘটনাকে নিয়ে একে অন্যর সাথে ঠাট্টা করে?

    কী ব্যাপারে তারা একে অন্যকে জিজ্ঞেস করছে? সেই বিরাট ঘটনার ব্যাপারে? যা নিয়ে তাদের নিজেদের ভেতরেই নানা মতবিরোধ? সাবধান! শীঘ্রই তারা জানতে পারবে। শেষ পর্যন্ত গিয়ে তারা জানতে পারবেই! — আন-নাবা ১-৫

    একদিন সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে; তারপর কোটি কোটি মানুষকে আবার সৃষ্টি করে ওঠানো হবে এবং তাদের সমস্ত স্মৃতি ফিরিয়ে দেওয়া হবে; তারপর তাদের পুরো জীবনটাকে দেখানো হবে —এটা কোনোভাবে সম্ভব, সেটা অনেকেই বিশ্বাস করত না। আবার অনেকে মনে করত যে, এরকম কিছু যদি সত্যিই ঘটে, তাহলে সেই দিন তাদের পীর-ফকির-দরবেশ-আউলিয়া-ওস্তাদ-দেবতাদের কাছে তারা ফিরে যাবে। তখন তাদের আর কোনো দুশ্চিন্তা থাকবে না। কত টাকা-পয়সা, ফুল-মিষ্টি-নারিকেল খরচ করেছে এদের পেছনে। সেগুলোর বিনিময়ে কিছুই পাবে না, তা কী করে হয়? —আবার অনেকে মনে করত যে, একদিন যদি সবার বিচার হয়ও, এক সৃষ্টিকর্তার পক্ষে কি আর হাজার কোটি মানুষের সব কাজের খবর রাখা সম্ভব? এত মানুষের খুঁটিনাটি বিচার করার সময় কোথায়? নিশ্চয়ই তিনি শুধু ঘাঘু অপরাধীদের ধরে শাস্তি দেবেন? বাকিরা সবাই আরামে পার পেয়ে যাবে। আবার অনেকে মনে করত যে, এই দুনিয়াতে তারা কত সম্মান-সম্পদ নিয়ে আনন্দে আছে। তার মানে সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয়ই তাদের উপর মহা খুশি। মৃত্যুর পরে নিশ্চয়ই তাদের জন্য আরও বেশি সম্মান-সম্পদ অপেক্ষা করছে।[৭]

    আমি কি ভূমিকে বিস্তৃত করে আরামের করে দেইনি? একে সুস্থিত রাখার জন্য পর্বতমালাকে দৃঢ়ভাবে গেড়ে দেইনি? — আন-নাবা ৬-৭

    আমি কি ভূমিকে বিস্তৃত করে আরামের করে দেইনি?
    ছয়শ কোটি মানুষ, কোটি-কোটি-কোটি উদ্ভিদ এবং প্রাণীর আবাসস্থল এই বিশাল পৃথিবী। আল্লাহ تعالى একে প্রাণের জন্য যথার্থ করে তৈরি করেছেন। মহাকাশে এখন পর্যন্ত আমরা কোটি কোটি গ্রহ খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু একটিতেও এখন পর্যন্ত পৃথিবীর মতো প্রাণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা খুঁজে পাওয়া যায়নি। কীভাবে এরকম একটি গ্রহ কাকতালীয়ভাবে তৈরি হলো? কীভাবে এর মধ্যে এত বিশাল সংখ্যক প্রাণের সমাহার হলো? —তা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো এক বিস্ময়।

    আল্লাহ تعالى পৃথিবীকে مهاد মিহাদ অর্থাৎ বিছানা, বিশ্রামের জায়গা করে সৃষ্টি করেছেন। মিহাদ হচ্ছে বাচ্চাদের দোলনা। বাচ্চারা যেমন তাদের দোলনায় নিরাপদে থাকে, খেলা করে, ঘুমায়, তেমনি পৃথিবী যেন মানুষের থাকা এবং খেলার জন্য নিরাপদ জায়গা। পৃথিবীর বেশিরভাগ জায়গা নরম এবং সমতল, যেন মানুষ ঘরবাড়ি বানাতে পারে, চাষবাস করতে পারে, গবাদি পশু চরাতে পারে। মানুষের জন্য অত্যাবশ্যকীয় যা কিছুই দরকার, তা হয় পৃথিবীর উপরিভাগে থাকে, না হয় একটু খুঁড়লেই পাওয়া যায়। শুধু তাই না, প্রযুক্তির উন্নতির জন্য যে সমস্ত কাঁচামাল দরকার, তা মানুষের নাগালের ভেতরেই খনির মধ্যে, পাহাড়ে, না হলে সমুদ্রে রাখা আছে।

    এখন, পৃথিবী যদি নরম, সমতল না হয়ে অন্য গ্রহগুলোর মতো ভীষণ শক্ত, পাথুরে হতো, অথবা একেবারেই গ্যাসীয় হতো, তাহলে মানুষ তো দূরের কথা, বেশিরভাগ প্রাণীরই টিকে থাকা সম্ভব হতো না। মানুষ তখন আর ঘরবাড়ি তৈরি করতে পারত না। চাষবাস করতে পারত না। গবাদি পশু চরাতে পারত না। মানুষের খাদ্য এবং বাসস্থান, এই দুটি মৌলিক চাহিদার যোগান দেওয়া সম্ভব হতো না। পৃথিবীর বেশিরভাগ জায়গা নরম এবং সমতল হওয়ার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।

    মানুষের মল এবং বর্জ্য পৃথিবী নিজের ভেতরে নিয়ে নেয়। তারপর তা থেকেই তৈরি করে মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। যেমন, মাটির উর্বরতার জন্য সার, নানা ধরনের অণুজীব, জৈব পদার্থ ইত্যাদি। মানুষের পানের জন্য পরিষ্কার মিষ্টি পানি হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় খাল, বিল, নদীনালায়। একইসাথে দূষিত পানি পৃথিবী তার ভূগর্ভে শুষে নিয়ে, নানা রসায়ন ব্যবহার করে ফিল্টার করে পরিষ্কার করে, তারপর তা লম্বা সময় ধরে সযত্নে সংরক্ষণ করে। মানুষ যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর যত্ন নিয়েছে, এর সাথে অন্যায় করেনি, ততদিন পর্যন্ত মানুষের বিশুদ্ধ পানির জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয়নি।

    এখন, পৃথিবী যদি মানুষের মল এবং বর্জ্য নিজের ভেতরে নিয়ে অন্যকিছু তৈরি না করত, তাহলে পৃথিবীর উপরিভাগ মল, মূত্র, মৃতদেহ এবং নানা বর্জ্যে ভরে যেত। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে টিকে থাকা মুশকিল হতো। চারিদিকে মহামারি দেখা দিতই। আবার, পৃথিবীর অভ্যন্তরে যদি পানি বিশুদ্ধ করার জটিল ব্যবস্থা না থাকতো এবং সেই বিশুদ্ধ পানি ধরে রাখার এত সুন্দর ব্যবস্থাও না থাকতো, তাহলে পানি দুষিত হতে হতে একসময় পানের যোগ্য পানি আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যেত না।

    পৃথিবীকে আল্লাহ تعالى যথার্থই আরামের বিছানা করে তৈরি করেছেন। আমাদের অব্যবস্থার কারণে পৃথিবীর ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে যখন কিছু সমস্যা দেখা দেয়, তখনই আমরা টের পাই যে, পৃথিবী আমাদের জন্য কত কিছু করে। যেমন, বুড়িগঙ্গা নদীর বর্তমান অবস্থা আমাদের পরিষ্কারভাবে দেখিয়ে দেয় পৃথিবীর সাথে অন্যায় করার ফলাফল কী ভয়াবহ।

    আল্লাহ تعالى যখন ইচ্ছা করেন, তখন তিনি মানুষের কাছে জ্ঞান এবং প্রযুক্তি প্রকাশ করেন। পৃথিবী তখন মানবজাতির কাছে নতুন সম্পদের ভাণ্ডার খুলে দেয়। যেমন, একসময় মানুষের জ্বালানী ছিল কাঠ পোড়ানো। দৈনন্দিন কাজ, যানবাহন এবং কলকারখানা চলতো কাঠ পুড়িয়ে আগুন থেকে। কিন্তু এর জন্য বিপুল পরিমাণে গাছ কাটার দরকার হতো। মানুষ বহু যুগ ধরে এভাবে গাছ কেটে জ্বালানী দিয়ে চলতে পেরেছিল। কিন্তু একসময় গিয়ে আশঙ্কাজনক হারে বন উজাড় শুরু হলো। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে থাকলো। যদি গাছ কেটে জ্বালানী সরবরাহ শীঘ্রই বন্ধ না করা হতো, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য এমনভাবে নষ্ট হয়ে যেত, যে আর তা ফিরিয়ে আনা যেত না। কিন্তু গাছ কাটা বন্ধ করে দিলে তো মানুষের জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। মানবজাতির প্রযুক্তি, উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। তাহলে মানুষ কী করবে? পরিবেশ বাঁচাবে নাকি সভ্যতা বাঁচাবে?

    তখন মানুষ খনি খুঁড়তে গিয়ে কাকতালীয়ভাবে কয়লা আবিষ্কার করলো। বিভিন্ন দেশে প্রচুর পরিমাণে কয়লার ভাণ্ডার খুঁজে পেয়ে মানুষের জ্বালানী সমস্যা দূর হয়ে গেল। বিরাট ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠলো। কিন্তু কয়লা পোড়ালে বায়ু দূষণ হয়। উনিশ শতকের দিকে যানবাহন এবং ইন্ডাস্ট্রিগুলো বিপুল পরিমাণে কয়লা পোড়ানোর কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলতে লাগলো। যদি মানুষ কয়লা পোড়ানো বন্ধ না করে, তাহলে পরিবেশের এমন ক্ষতি হয়ে যাবে যে, আর পরিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে না। তাহলে মানুষ কী করবে? পরিবেশ বাঁচাবে, নাকি সভ্যতা বাঁচাবে?

    তখন একজন বিজ্ঞানী কাকতালীয়ভাবে এক কয়লার খনি থেকে তেল পড়তে দেখলেন। তিনি অনেক গবেষণা করে কুপ খনন করে তেল বের করার পদ্ধতি বের করলেন। এই প্রযুক্তি মানব সভ্যতাকে পাল্টে দিলো। সারা পৃথিবীতে তেল কুপ খনন শুরু হয়ে গেল। মানুষ বিপুল পরিমাণের জ্বালানী উৎস খুঁজে পেলো। সভ্যতার অগ্রগতি আরও তরান্বিত হলো।

    শুধু জ্বালানি নয়, অনেক চিকিৎসার প্রতিকারও পৃথিবী আমাদেরকে উপহার দিয়েছে জরুরি মুহূর্তে এসে। যেমন, পেনিসিলিন আবিষ্কারের আগে বিভিন্ন ইনফেকশনে প্রতি বছর অনেক মানুষ মারা যেত। বিজ্ঞানী ফ্লেমিং সহ অনেকে চেষ্টা করছিলেন এন্টিবায়োটিক তৈরি করার। একদিন বিজ্ঞানী ফ্লেমিং ছুটি থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার গবেষণাগারে এক পাত্রে কিছু ব্যাকটেরিয়া রাখা ছিল, সেগুলো কীভাবে যেন মারা গেছে। তিনি খুঁজতে গিয়ে দেখেন, তিনি জানালা খুলে রেখে গিয়েছিলেন এবং সেই জানালা থেকে এক ধরনের ফাঙ্গাস এসে পাত্রে পড়ে আশেপাশের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলেছে। এভাবে ‘দৈবক্রমে’ তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, যা কোটি কোটি মানুষকে জটিল ইনফেকশনজনিত মৃত্যু হওয়া থেকে বাঁচিয়েছে, এন্টিবায়োটিক যুগের সূচনা করেছে।

    মানব ইতিহাসের শুরু থেকেই অদ্ভুত সব জায়গা এবং ঘটনা থেকে নানা অসুখের প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়েছে। বহু প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়েছে নানা দুর্ঘটনার মাধ্যমে। এগুলোর কোনোটাই দুর্ঘটনা নয়। আল্লাহ تعالى যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মানুষকে কোনো একটি জ্ঞান এবং প্রযুক্তি দেবেন, তখনি তিনি সেটা প্রকাশ করেছেন। মানুষের কাছে মনে হয়েছে যে, মানুষ কাকতালীয়ভাবে আবিষ্কার করেছে।

    একে সুস্থিত রাখার জন্য পর্বতমালাকে দৃঢ়ভাবে গেড়ে দেইনি?
    পর্বতমালা শুধু উঁচুই নয়, মাটির ভেতরেও এরা অনেক দূর পর্যন্তও বিস্তৃত। আমরা মাটির উপরে পর্বতের যতটুকু দেখতে পাই, সেটা যতই বিশাল হোক না কেন, আসলে সেটা পর্বতের অল্প একটু অংশ। ভেতরে অনেক দূর পর্যন্ত পর্বতগুলো গেঁথে দেওয়া থাকে। একারনেই কুরআনে পর্বতমালাগুলোকে أوتاد আওতাদ অর্থাৎ তাঁবুর খুঁটি বলা হয়েছে, কারণ এগুলো খুঁটির মতো মাটির গভীরে পোতা থাকে।

    পৃথিবীর উপরের পৃষ্ঠটি একটি পাতলা খোলসের মতো, যা অনেকগুলো টুকরোতে ভাগ করা। এই টুকরোগুলোকে বলা হয় ‘টেক্টনিক প্লেট’। এই প্লেটগুলো ক্রমাগত নড়াচড়া করে, সম্প্রসারিত হয়, একটা প্লেট অন্য প্লেটের নীচে ঢুকে যায়। বিশাল মহাদেশগুলো আসলে একেকটি টুকরো। এগুলো একটু একটু করে নড়ছে। আমরা যদি ভারত উপমহাদেশের দিকে দেখি, এটি পুরোটা একটি টুকরো। এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলো নিয়ে ছিল আরেকটি টুকরো। ভারত মহাদেশ একসময় এশিয়া মহাদেশ থেকে অনেক দূরে ভারত মহাসাগরে আফ্রিকার কাছে ছিল। কোটি বছর ধরে একটু একটু করে কাছে এসে, তা এশিয়া মহাদেশের প্লেটের সাথে লেগে গেছে। এই দুই প্লেট যেখানে একসাথে লেগেছে, সে জায়গাটা উপরে উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে হিমালয় পর্বতমালা। এই পর্বতমালা অনেকটা খুঁটির মতো ভারত মহাদেশের প্লেটটাকে আটকে ফেলেছে।[৪৪৬]

    পর্বতগুলো আমাদেরকে প্রতিরক্ষা দেওয়ালের মতো ভীষণ ঝড়ের আঘাত থেকে আশ্রয় দেয়। একইসাথে এগুলো বাতাসের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে বসবাসের উপযোগী বিশেষ আবহাওয়া তৈরি করে। ভারত উপমহাদেশের মৌসুমি আবহাওয়া, যা এই এলাকায় বিশাল জনসংখ্যার বৃদ্ধির একটি বড় কারণ, সম্ভব হয়েছে হিমালয় পর্বতমালার কারণে।[৪৪৮] একইসাথে পর্বতমালা হচ্ছে মিঠাপানির সবচেয়ে বড় উৎস। পর্বতমালা থেকে মিঠা পানির ধারা নেমে এসে নদী-নালা, খাল-বিল তৈরি হয় এবং পলি জমে চাষের জমি তৈরি হয়।

    আজকে পৃথিবীতে আমরা যে এত বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া দেখতে পাই, তার একটি বড় কারণ পর্বতমালা। পর্বতমালাগুলো বাতাসের গতিকে পরিবর্তন করে, আদ্রতায় বৈচিত্র্য আনে, সূর্যের তাপের ছড়িয়ে যাওয়াকে প্রভাবিত করে। আবহাওয়ার শত পরিবর্তন হয় পর্বতমালাগুলোর কারণে। যদি পুরো পৃথিবী সমতল ভূমি হতো, একটাও পর্বত না থাকতো, তাহলে আমরা এত বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া, জলবায়ু পেতাম না। মানব সভ্যতার ব্যাপক প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় জলবায়ু তৈরি হতো না।[৪৪৭

    সূত্রঃঅনলাইন

  • আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল

    আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল

    ইসলাম ধর্মঃ

    আল্লাহপাকের কোনো শরিক নেই, তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কারও থেকে জন্ম নেননি। তার সমকক্ষ কেউ নেই, তিনি চিরঞ্জীব এবং চিরস্থায়ী। এই বিশাল পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, বৃক্ষলতা, মানব-দানব, পশু-পাখি, সাগর-পাহাড় সবকিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন।

    সৃষ্টি জগতের সবাইকে আল্লাহর ওপর ঈমান আনতে হয়। মুসলমান হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো- আল্লাহতায়ালার একত্বকে মুখে স্বীকার করা এবং অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা। তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই এটা মনেপ্রাণে ধারণ করা।

    কোরআন-হাদিসের শিক্ষা মতে ঈমানের দাবি হলো- সবকিছুকে বর্জন করে শুধু আল্লাহর প্রতি দৃঢ় প্রত্যয় স্থাপন করা, তাকে ভালোবাসা, ভয় করা। প্রয়োজনে শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, সর্বাবস্থায় তার ওপর ভরসা রাখা। সেই সঙ্গে সর্বদা মনে রাখা, একদিন তার কাছে সবাইকে ফিরে যেতে হবে এবং ভালো বা মন্দ পরিণতি তার ফয়সালার ওপর নির্ভরশীল। ঈমানদাররা কিয়ামতের দিন মহান প্রভু আল্লাহতায়ালার দিদার লাভ করে ধন্য হবেন।

    এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনিই একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি দৃশ্য-অদৃশ্য এবং উপস্থিত-অনুপস্থিত সব বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। -সূরা হাশর: ২২

    অন্যত্র বলা হয়েছে, তিনি সেই আল্লাহ যিনি আসমান ও জমিন এবং এর মধ্যবর্তী স্থানের সব কিছুর সৃষ্টিকারী। তিনি আলিমুল গায়েব। তিনি সব জায়গায় বিরাজমান। তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব কিছুই দেখেন ও খবর রাখেন।

    এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ সকল দৃশ্য-অদৃশ্য ও উপস্থিত অনুপস্থিত সকল বিষয়ে পুরোপুরি জ্ঞাত। মহান আল্লাহই সব প্রাণীর রিজিকদাতা। কোনো সৃষ্টিকেই তিনি রিজিক থেকে বঞ্চিত করেন না। সকল প্রাণী সৃষ্টির পূর্বেই তিনি তাদের রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। সব প্রাণীকেই তিনি রিজিক দেন এবং প্রতিপালন করেন।

    মহান আল্লাহতায়ালা ক্ষমাশীল। অন্যায় বা ভুল করার তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি ক্ষমা করে দেন। কাউকে তিনি ফিরিয়ে দেন না। পবিত্র কোরআন মজিদে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ গাফুরুর রাহিম। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল।’ –সূরা আলে ইমরান: ৩১

    আল্লাহতায়ালা এমনই এক সত্তা যার কাছে কোনো কিছু প্রার্থনা করে কেউ বিফল হয় না। মানুষের যা কিছু প্রয়োজন, তা আল্লাহর নিকটই প্রার্থনা করা প্রয়োজন। পবিত্র কোরআনে এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোনো প্রার্থনাকারী আমার কাছে প্রার্থনা করে তখন আমি তার প্রার্থনা কবুল করি।’ –সূ‍রা আল বাকারা: ১৩৬

    আল্লাহ বলতে আমরা শুধু অদ্বিতীয় এক সত্তাকে বুঝি। যাকে দেখা যায় না। কিন্তু বিপদে ডাকলে তিনি সাড়া দেন। ঘোর বিপদে যখন কেউ সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে না- তখনও তিনি সাহায্য করেন। আল্লাহতায়ালার শান বলে শেষ করা যাবে না।

     

  • গণমাধ্যমকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে সংবাদটি প্রত্যাহারের আহবানঃ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

    গণমাধ্যমকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে সংবাদটি প্রত্যাহারের আহবানঃ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

    • ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    রাজাকারের তালিকায় ৬০ কোটি টাকা খরচ’ শিরোনামে যে সব গণমাধ্যম সংবাদ প্রচার করেছে, তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সূফি আব্দুল্লাহ হিল মারুফ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    একইসঙ্গে প্রকাশিত সংবাদটি প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো ক্ষমা চেয়ে সংবাদটি প্রত্যাহার না করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘রাজাকারের তালিকা করতে ৬০ কোটি টাকা খরচ’ একটি অসত্য সংবাদ।

    মন্ত্রী বলেন, ‘এ তালিকা তৈরির জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বা বরাদ্দ চাওয়াও হয়নি। কাজেই কোনও খরচের প্রশ্নই আসে না। এটি একটি অসত্য তথ্য।’ এ ধরনের অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছেন তনি। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো সংবাদটি প্রত্যাহার করে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

  • জাতীয় সম্মেলনে হেভিওয়েটরা আ’ লীগ থেকে বাদ পড়ছেন

    জাতীয় সম্মেলনে হেভিওয়েটরা আ’ লীগ থেকে বাদ পড়ছেন

    • ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    আ’ লীগ থেকে বাদ পড়ছেন অনেক হেভিওয়েট, আসছে নতুন মুখ
    নতুন দিনে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় আওয়ামী লীগের নিযুত নেতাকর্মী। তৃণমূল নেতাদের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবারের কাউন্সিলে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল আসার আভাস পাওয়া গেছে। টানা তিন বার ক্ষমতায় থেকে নানা অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাদের এবার বাদ দেয়া হবে, এদের মধ্যে অনেক হেভিওয়েট নেতাও রয়েছেন। নেতৃত্বে আনা হবে তরুণ ও স্বচ্ছ ইমেজের নেতাদের। দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামে কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

    উপমহাদেশের প্রাচী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল শুরু হচ্ছে বেলা ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। আজ শুক্রবার  কাউন্সিল শুরু হলেও সম্মেলনের মূল চমক থাকছে কাল। এদিন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে। যদিও সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকছেন- এ বিষয়টি পুরোপরি নিশ্চিত। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়েই সবার কৌতূহল রয়েছে।তবে অনেকে মনে করছেন সাধারণ সম্পাদক পদে এবারও পরিবর্ত হওয়া সম্ভাবনা নেই।

    এ পদে পরিবর্তন হচ্ছে কিনা, নতুন কমিটির বিভিন্ন পদে কারা আসছেন, বর্তমান কমিটির কারা বাদ পড়ছেন- এসব বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে তেমন কোনো ধারণা নেই কারও কাছেই।

    আওয়ামী লীগের একাধিক প্রেসিডিয়াম সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে এবারের কমিটি। এর মধ্য দিয়ে বাদ পড়বেন অনেক ‘প্রভাবশালী ও হেভিওয়েট’ নেতা।

    সেখানে তরুণদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে অধিক সংখ্যক নতুন মুখ স্থান পাবে। সে লক্ষ্যে যাবতীয় কাজ চূড়ান্ত করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    ইতিমধ্যে নেতা নির্বাচনে বর্তমান কমিটির সব স্তরের নেতার আমলনামা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। সংশ্লিষ্ট নেতাদের সফলতা ও ব্যর্থতার পাশাপাশি নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা, দলীয় কোন্দলে সম্পৃক্ততাসহ সার্বিক কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নতুন নেতৃত্বও প্রস্তুত করেছেন তিনি। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের ধারণা- ‘নতুন মুখ, নতুন নেতৃত্ব’র যে প্রত্যাশা আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড করছে, এর প্রতিফলন ঘটবে এবারের কাউন্সিলে।

    নতুন কমিটিতে স্থান পেতে পারেন ছাত্রলীগের সাবেক ত্যাগী নেতা, বিভিন্ন কারণে নিষ্ক্রিয় কিন্তু দলের প্রতি নিবেদিত, নির্বাচন ও দলের দুর্দিনে যারা সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সাবেক কয়েকজন নেতা।

    এছাড়া তালিকায় আছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন উদ্যমী তরুণ।

    অন্যদিকে যারা টেন্ডার ও চাঁদাবাজ এবং ক্যাসিনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, দলীয় কোন্দল সৃষ্টিকারী, বিএনপি-জামায়াত ঘরানার নেতাদের যারা দলে ভিড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে যারা কাজ করেছেন- এমন নেতারা কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়ছেন।

    জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যুগান্তরকে বলেন, পরিবর্তনের ধারা নিয়মিত। আওয়ামী লীগে কেউ বাদ যায় না, শুধু দায়িত্বের পরিবর্তন হয় মাত্র। চলমান শুদ্ধি অভিযানের প্রভাবও পড়বে কাউন্সিলে।

    ক্যাসিনোকাণ্ড, দুর্নীতি ও নৌকা বিরোধিতার কারণে কপাল পুড়তে যাচ্ছে সম্পাদকমণ্ডলীর ৩৪ সদস্যের অনেকেরই। ইতিমধ্যে শীর্ষ কয়েক নেতা বাদ পড়ার বিষয়টি অবহিত হয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বিভিন্ন আলোচনায় বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।

    আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সংখ্যা ২৮। কাউন্সিলের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে যাদের স্থান দেয়া সম্ভব হয় না, সাধারণত তারাই সদস্য পদ পেয়ে থাকেন। বর্তমান সদস্যদের অনেকেই নিজ পদ ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করা, মন্ত্রণালয়ে গিয়ে দলীয় প্রভাব খাটানোসহ বিভিন্ন অভিযোগের কারণে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন অনেকে।

  • ডিসেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর হামলা হতে পারে-গোয়েন্দা সংস্থা

    ডিসেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর হামলা হতে পারে-গোয়েন্দা সংস্থা

    আন্তার্জাতিকসংবাদডেক্সঃ
    আগামী ২২ ডিসেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর হামলা হতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
    পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা এ হামলা চালাতে পারে বলে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে।
     
    মোদির ওপর হামলার শঙ্কায় সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে দেশটিতে গণমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ ডিসেম্বর রামলীলা ময়দানে বিজেপির একটি বিশাল সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন মোদি। সেখানে দিল্লির অবৈধ কলোনিগুলোকে নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনার বিষয়ে জোর দেয়া হবে।
    সেই সমাবেশকেই পাক সন্ত্রাসবাদীরা টার্গেট করেছে বলে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ ও দিল্লি পুলিশকে জানিয়েছে গোয়েন্দা দফতর।
    সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মুহম্মদ এই হামলার দায়িত্ব নিয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং এনডিএ-র সঙ্গে থাকা মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।
    ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন, সুপ্রিম কোর্টের বাবরি মসজিদ রায় এবং সংবিধানের ৩৭০ ধারার বিলোপের জেরেই এ হামলা চালানো হতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে।
    হামলা চালাতে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মদত রয়েছে বলেও জানা গেছে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।সমাবেশে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার সময় যাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীল বইয়ে থাকা নির্দেশাবলী অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়, সেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
  • ভারতে নতুন নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ আটক

    ভারতে নতুন নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ আটক

    • আন্তর্জাতিকসংবাদডেক্সঃ

    নতুন নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছে। দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, কলকাতা-সহ বিভিন্ন শহরে চলছে মিছিল-বিক্ষোভ। বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভে আটক করা হয়েছে ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ। টাউন হলের কাছে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করা দরুন তাঁকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। সেখানে আগে থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

    আটক করার সময় প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ জানান, গান্ধীর পোস্টার নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে সংবিধান নিয়ে কথা বলার সময় তাঁকে আটক করা হয়। কয়েক দিন ধরে সিএএ-র বিরোধিতায় উত্তাল রাজধানীও। জিমিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ জানান। তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়েছে বেশ কয়েক জন পড়ুয়া। লাল কেল্লার সামনে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

    বৃহস্পতিবারও দিল্লিতে বিপুল জনসমাগম হওয়ার কথা। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লি ও গুরুগ্রাম সংযুক্ত সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। যাননিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। জামা মসজিদ, চাঁদনি চক-সহ ৮ মেট্রো স্টেশনের বাহির ও প্রবেশ দ্বার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে অযোধ্যা রায় বেরনোর পর উত্তর প্রদেশেও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। কোনও জমায়েত করা যাবে না বলে উত্তর প্রদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

  • সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    • নিজেস্ব প্রতিবেদক,আশুলিয়াঃ

     

    সাভারের আশুলিয়ার শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে আশুলিয়া জামগড়া ফ্যান্টাসি কিংডম সামনে দ্রব্যমূল্যের অগ্রগতির কারণে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রেশনিং ব্যবস্থা চালু ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ডিসেম্বর মাসের বেতনের সাথে প্রদানের দাবিতে ১৯ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলেছে এই কারণে গার্মেন্টস শ্রমিকরা আজ অসহায় হয়ে পড়েছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা মাসে যে কয় টাকা বেতন পায় তা দিয়ে ১৫ দিনো সংসার চলে না, তাই অবিলম্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট এর টাকা ডিসেম্বর মাসের বেতনের সাথেই দিতে হবে বলে দাবী জানান
    বক্তারা আরো বলেন,অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকেরা অমানবিক পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকার মুখে শ্রমিকবান্ধব বললেও বাস্তবে শ্রমিকদের কোন কিছুই পাচ্ছেনা। বরং শ্রমিক স্বার্থে কোনো সংগঠন ট্রেড ইউনিয়ন করতে চাইলে সরকার ও মালিক পক্ষ যৌথভাবে তাতে বাধা দিচ্ছে।
    জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মানববন্ধনে সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, সৌমিত্র কুমার দাস, অরবিন্দু বেপারী বিন্দু ,শাহিন মন্ডল, রাকিবুল ইসলাম সোহাগ, জাহিদুল রহমান জীবন, কবির হোসেন, আল মামুন, খোরশেদ আলম, আনিসুর রহমান, আলমগীর শেখ লালন, ইসমাইল হোসেন ঠান্ডু, কামরুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।